Wednesday, July 1, 2026
HomeScrollশোভাবাজার রাজবাড়ির দুর্গাপুজোর অজানা ইতিহাস
Shovabazar Rajbari Durga Puja

শোভাবাজার রাজবাড়ির দুর্গাপুজোর অজানা ইতিহাস

শোভাবাজার রাজবাড়িতে রাত জেগে নাচ দেখেন 'মা'

কলকাতা: ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দের পলাশির যুদ্ধ থামার কিছুদিন পর দুর্গাপুজো (Durga Puja)। শোভাবাজার রাজবাড়িতে (Shovabazar Rajbari Durga Puja) নিমেষে গড়ে উঠল ঠাকুরদালান। আয়োজন হল মা দুর্গার আবাহনের। রাজবাড়িতে শুরু হল এক জাঁকজমকপূর্ণ দুর্গাপুজো। সেই পুজোর প্রধান অতিথি ছিলেন লর্ড ক্লাইভ। বসত বাঈজি নাচের আসর। তৎকালীন কলকাতার বাবু সমাজের মাথারাও এই পুজোয় আসর জমিয়ে তুলতেন। এসব সত্ত্বেও পুজো পদ্ধতি কিন্তু চলল শাস্ত্র মেনেই এবং সম্পূর্ণ নিয়মনিষ্ঠার সঙ্গে।

শোভাবাজার রাজবাড়ির পুজোর সঙ্গে মিশে রয়েছে ইতিহাসের গন্ধ। শোভাবাজার রাজবাড়ির এই পুজো নবকৃষ্ণ দেবের ছেলে রাজা রাজকৃষ্ণ দেবের বংশধরের পুজো। দুর্গাপুজোয় থিমের ভিড়ে আজও স্বাতন্ত্র্য ধরে রেখেছে শোভাবাজার রাজবাড়ির পুজো। পুজোর সময় এই বাড়ির দালান ভর্তি থাকে দর্শনার্থীর ভিড়ে। পুজোর পাঁচটা দিন সকলের জন্য খুলে দেওয়া হয় এই রাজবাড়ির ফটক। পুরনো কলকাতার প্রবাদ আছে মা এসে জোড়াসাঁকো শিবকৃষ্ণ দাঁ বাড়িতে গয়না পড়েন, কুমোরটুলির অভয়চরণ মিত্রের বাড়িতে ভোজন করেন, শোভাবাজার রাজবাড়িতে রাত জেগে নাচ দেখেন মা।

শোভাবাজার পুজোয় বাঈজি নাচের রীতি দীর্ঘ দিন প্রচলিত ছিল। পরে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পুজোর বিনোদনে বদল আসে। বাঈজি নাচ বন্ধ হয়ে পুজো উপলক্ষে রাজবাড়িতে যাত্রা, পালাগান কিংবা নাটকের আয়োজন করা হত। ক্রমে তা-ও উঠে গিয়েছে। পরিবারের সদস্যরা জানান, বড় বাড়িতে রাধাকান্তের আমলেই বলি বন্ধ হয়।

আরও পড়ুন: ২৮১ বছরের পুজোর বিশেষত্ব, বাড়ির আনাচে কানাচে রয়েছে ইতিহাস

বাড়ির প্রতিমার সামনে সার দিয়ে বেশ কয়েকটা জরির সুতো ঝোলানো থাকে। মা ঘরের মেয়ে তাই চিকের আড়ালে থাকেন। বাইরের মানুষ যাতে মাকে সরাসরি বা না-দেখতে পায়, সেইজন্য এই ব্যবস্থা। দুর্গানবমীর ঠিক আগের নবমীতে বোধন হয়। বোধনের দিন থেকে প্রত্যেকটি দিন ১৫ জন ব্রাহ্মণ পণ্ডিত চণ্ডী, রামায়ণ ও অন্য বহু শাস্ত্রপাঠ করেন। সপ্তমীর সকালে একটা রুপোর ছাতা মাথায় নিয়ে নবপত্রিকাকে বাগবাজারের ঘাটে স্নান করাতে নিয়ে যাওয়া হয়। আগে সন্ধিপুজোর সময় বন্দুক ফাটানো হত। দশমীর সকালে দর্পণ বিসর্জন। মা দুর্গার যাত্রা করার আগে কনকাঞ্জলি দেওয়া হয় রুপোর থালায়। সোনার সিঁদুর কৌটো, আতপ চাল, ধান, দূর্বা ও গিনি দিয়ে কনকাঞ্জলি দেওয়া হয়। আগে বিসর্জনের সময় নীলকণ্ঠ পাখি উড়িয়ে দেওয়া হত স্বর্গে গিয়ে মায়ের আগমনবার্তা মহাদেবকে পাঠানোর জন্য। এখন মাটির দু’টো নীলকণ্ঠ পাখি বানিয়ে দশমীর দিনে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করে, বিসর্জনের সময় পাখি দু’টোকে গঙ্গায় নিক্ষেপ করা হয়।

দেখুন ভিডিও 

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ BWO99 poker idn poker situs slot gacor situs toto istanaslot istanaslot sohibslot AMANAHTOTO AMANAHTOTO Pakde4D slot gacor hari ini SlotPoker188 kecak4d AMANAHTOTO premantoto AMANAHTOTO Pakde4D petir188 slot TOTO MACAU AMANAHTOTO