Saturday, February 7, 2026
HomeScrollনামবদলে গেল মাদার ডেয়ারির! নতুন নামে সিলমোহর মন্ত্রিসভার
Bangla Diary

নামবদলে গেল মাদার ডেয়ারির! নতুন নামে সিলমোহর মন্ত্রিসভার

মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এমনটাই ঘোষণা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য!

ওয়েব ডেস্ক : নাম বদলে গেল মাদার ডেয়ারির (Mother Diary)! এবার থেকে এই নাম বদলে হল ‘বাংলা ডেয়ারি’ (Bangla Diary)। বুধবার মন্ত্রীসভার বৈঠকের পর এমনটাই ঘোষণা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Chandrima Bhattacharya)। তিনি বলেছেন, মাদার ডেয়ারি ও বাংলা ডেয়ারি মার্জ হয়েছে। ফলে এখন থেকে মাদার ডেয়ারির পণ্য এবার পাওয়া যাবে ‘বাংলা ডেয়ারি’ নামেই।

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Chandrima Bhattacharya) এদিন বলেছেন, মাদার ডেয়ারি ক‍্যালকাটা এবং বাংলার ডেয়ারির নাম শুনেছেন। এখন থেকে দুই সংস্থা মার্জার হয়েছে। এখন থেকে সব বাংলা ডেয়ারি হিসেবেই পাওয়া যাবে। এখনও থেকে আর কোনও অস্তিত্ব থাবনে না মাদার ডেয়ারির। এর পাশাপাশি বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মাথায় রেখে পিপিপি মডেলে বড় প্রকল্প হাতে নিচ্ছে রাজ্য। এর জন্য জেএসডব্লুউ এনারজি লিমিটেডকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও খবর : জিন্দল গোষ্ঠীর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে আরও একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র রাজ্যে

রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Finance Minister Chandrima Bhattacharya) বলেন, ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদার কথা মাথায় রেখে আগেই এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরির জন্য দরপত্র ডাকা হয়েছিল। সেই দরপত্র প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে জে এস ডব্লিউ এনার্জি-কে দিয়ে পিপিপি মডেলে বিদ্যুৎ প্রকল্প গড়ে তোলার প্রস্তাবে সিলমোহর দিয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভা। নবান্ন সূত্রে খবর প্রতি ইউনিট ৫.৮১ টাকা দরে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে জেএসডব্লিউ এনার্জি। ওই সংস্থার হাত ধরেই রাজ্যে ওই নিউ সুপার ক্রিটিক্যাল পাওয়ার প্ল্যান্ট গড়ে উঠবে। প্রকল্পের আওতায় দুটি ইউনিট থাকবে, প্রতিটি ইউনিটের ক্ষমতা ৮০০ মেগাওয়াট করে।

প্রাথমিক ভাবে এই প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২৫ বছর। তবে ভবিষ্যতে বিদ্যুতের চাহিদা আরও বাড়লে অতিরিক্ত ৫ বছর মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগও রাখা হয়েছে। প্রশাসনিক মহলের মতে, নিউ সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির ফলে তুলনামূলক কম জ্বালানিতে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে এবং পরিবেশগত দিক থেকেও এই প্রযুক্তি আধুনিক ও দক্ষ। রাজ্য সরকারের বক্তব্য, শিল্পায়ন, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং শহর ও গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুতের বাড়তি চাহিদা মেটাতে এই প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিল্পায়নে গতি আনতে বাংলার সরকার বিভিন্ন শিল্প তালুকে মোট দু’শো একরের বেশি জমি বরাদ্দ করেছে।

দেখুন অন্য খবর :

Read More

Latest News