Sunday, April 19, 2026
HomeScrollবাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হচ্ছেন দীনেশ ত্রিবেদী! সুপারিশ মোদির
Dinesh Trivedi

বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হচ্ছেন দীনেশ ত্রিবেদী! সুপারিশ মোদির

একসময় তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ পরে বিজেপিতে যোগদান

ওয়েবডেস্ক-  বাংলাদেশের (Bangladesh)  রাষ্ট্রদূত (Ambassador) হতে চলেছেন দীনেশ ত্রিবেদী (Dinesh Trivedi) । এখনও পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। শেষ মুহূর্তে কোনও পরিবর্তন বা না হলে, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন শেষ হলেও দীনেশকে রাষ্টদূত করে বাংলাদেশে পাঠানোর সমস্ত সরকারি প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে।

কেন দীনেশকে বেছে নিয়েছে মোদি সরকার? 

দীনেশ একজন সংস্কৃতিবান মানুষ। দুই বাংলার রীতি নীতি, ঐতিহ্য নিয়ে তাঁর জ্ঞান রয়েছে। দীর্ঘদিন রাজ্য রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ। শুধু কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নজরুল ইসলাম নয় দুই বাংলার সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর জ্ঞান রয়েছে। কেন্দ্রের সর্বোচ্চ স্তরের চিন্তাভাবনার পরেই দীনেশ ত্রিবেদীকে ওই পদের জন্য চূড়ান্ত হিসেবে বাছা হয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূত প্রণয় বর্মা। তাঁকে বেলজিয়ামে পাঠানো হতে পারে। আর তাঁর জায়গায় স্থলাভিষিক্ত করা হতে পারেন দীনেশকে। তাহলে দীনেশ হবেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। সব কিছু ঠিক ঠাক হলে দীনেশ ত্রিবেদী হবেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বা হাই কমিশনার। তিনি এখন দক্ষ সেতারবাদক।

গুজরাতি দম্পতি হীরালাল ত্রিবেদী এবং উর্মিলাবেন ত্রিবেদীর ছোট ছেলে দীনেশ। হিমাচল প্রদেশের বোর্ডিং স্কুল থেকে পড়াশোনার পর কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে কমার্সে স্নাতক হন। তার পর টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ। আশির দশকে কংগ্রেসে দিয়েছিলেন দীনেশ। তবে ১৯৯০ সালে জনতা দলে চলে যান। ১৯৯০-’৯৬ পর্যন্ত তিনি রাজ্যসভায় জনতা দলের সাংসদ ছিলেন। ১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন তৃণমূল গঠন করেন, সেই দলে যোগ দেন দীনেশ এবং দলের প্রথম সাধারণ সম্পাদক হন।

২০০২-’০৮ পর্যন্ত রাজ্যসভায় তৃণমূলের সাংসদের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ২০০৯ সালে ব্যারাকপুর থেকে তৃণমূলের হয়ে লোকসভা ভোটে প্রার্থী হন। ওই আসনে জিতে কেন্দ্রের মনমোহন সিং সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী হন। ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে জেতার পর মমতা রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়লে, সেই দায়িত্ব সামলান দীনেশ।

আরও পড়ুন-  জাতির উদ্দেশে ভাষণে মোদির মুখে ‘৫৯ বার’ কংগ্রেসের নাম’ তীব্র সমালোচনা খাড়গের

কিন্তু রেলের ভাড়া বাড়ানোয় তাঁর উপর ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন মমতা। তাঁকে রেলমন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ২০১৯ সালে ব্যারাকপুর ফের তিনি তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা। কিন্তু পরাজিত হন বিজেপির অর্জুন সিংহের কাছে হেরে যান। তার পর তৃণমূল তাঁকে আবার রাজ্যসভায় পাঠায়। এর পর ২০২১ সালের ৬ মার্চ বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। রাজ্যসভার সাংসদপদ থেকে ইস্তফা দেন। এখন বিজেপিতেই রয়েছেন দীনেশ।

 

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WATITOTO LGO188 xgo88 WDBOS toto togel slot slot gacor slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ https://www.demeral.com/it/demeral_software/ nobu99 toto slot traveltoto toto slot slot gacor situs slot gacor situs togel situs toto slot gacor toto https://josephmellot.com/nos-vins/ https://todayinnewsfocus.com/ BWO99 poker idn poker benteng786 situs slot gacor