ওয়েব ডেস্ক : দেশে বর্ষা (Monsoon) প্রবেশ করেছে। কিন্তু বাস্তবে দেশের বিস্তীর্ণ অংশে এখনও বৃষ্টির (Rain) দেখা নেই। বরং উত্তর, পশ্চিম এবং মধ্য ভারতের একাধিক রাজ্যে বৃষ্টির ঘাটতি ক্রমেই বাড়ছে। এই পরিস্থিতির কারণ ব্যাখ্যা করেছে মৌসম ভবন।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ইনস্যাট-৩ডিআর উপগ্রহচিত্রে দেখা গিয়েছে, বর্ষণ (Rain) ঘটানোর মতো ঘন মেঘ মূলত বঙ্গোপসাগর, মধ্য ভারতের কিছু অংশ, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ উপদ্বীপের আকাশে সীমাবদ্ধ রয়েছে। অন্যদিকে দিল্লি, হরিয়ানা, পঞ্জাব, রাজস্থান, পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ-সহ উত্তর ও পশ্চিম ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকা প্রায় মেঘহীন। সেই কারণেই বর্ষা প্রবেশ করলেও সেখানে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হচ্ছে না।
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, বিহার, উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে মৌসুমি বায়ু পৌঁছে যাবে। তবে বর্ষার অগ্রগতি হলেও পর্যাপ্ত বৃষ্টির জন্য আরও কিছুটা অপেক্ষা করতে হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন আবহবিদরা।
আরও খবর : কেতন আগরওয়াল মামলায় সামনে এল নতুন তথ্য
মৌসম ভবনের (Meteorological Office) তথ্য বলছে, ৪ জুন থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত দেশের সামগ্রিক বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৪৫ শতাংশ কম হয়েছে। এর অন্যতম কারণ, বঙ্গোপসাগরের উপর এখনও পর্যন্ত কোনও শক্তিশালী নিম্নচাপ বা ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়নি। সাধারণত এমন আবহাওয়া ব্যবস্থা তৈরি হলে মৌসুমি বায়ু শক্তিশালী হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জলীয় বাষ্প পৌঁছে ব্যাপক বৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে।
তবে আবহবিদদের আশা, বর্তমান পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হবে না। বিভিন্ন আবহাওয়া মডেল ইঙ্গিত দিচ্ছে, পূর্ব ভারত মহাসাগরে একটি বৃহৎ ক্রান্তীয় আবহাওয়া ব্যবস্থা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী চার থেকে সাত দিনের মধ্যে সেটি বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করতে পারে। যদি তা হয়, তাহলে মৌসুমি বায়ু আরও সক্রিয় হবে। আর দেশের বিভিন্ন অংশে বৃষ্টির (Rain) পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।
দেখুন অন্য খবর :







