Friday, February 13, 2026
HomeScrollদুই আসামির জেলের মধ্যেই প্রেম! বিয়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি বন্দি যুগলের
Rajasthan High Court

দুই আসামির জেলের মধ্যেই প্রেম! বিয়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি বন্দি যুগলের

জয়পুরের জেলের এই ঘটনা যেন সরাসরি কোনও থ্রিলারের চিত্রনাট্য

ওয়েব ডেস্ক: দু’জনেই খুনের আসামি। দু’জনেই ভিন্ন মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Life Imprisonment Convicts) হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি বন্দি রয়েছেন রাজস্থানের একই জেলে। সেখানেই দু’জনের প্রেম। এ বার বিয়ে করতে চান তাঁরা। জয়পুরের ওই বন্দি যুগলকে বিয়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দিল আদালত। ১৫ দিনের জন্য তাঁদের প্যারোল মঞ্জুর করেছে রাজস্থান হাইকোর্ট (Rajasthan High Court)।এই ঘটনা যেন সরাসরি কোনও থ্রিলারের চিত্রনাট্য।

৩১ বছর বয়সি প্রিয়া শেঠ এবং ২৯ বছর বয়সি হনুমান প্রসাদ। উভয়েই ২০২৩ সালে দুই ভিন্ন খুনের মামলায় দোষীসাব্যস্ত হন। বর্তমানে তাঁরা রয়েছেন জয়পুরের সাঙ্গানেরে ‘ওপেন এয়ার’ জেলে। কারাগারের এই চর্চিত প্রেমকাহিনির কেন্দ্রে রয়েছেন ৩১ বছরের প্রিয়া শেঠ এবং ২৯ বছরের হনুমান প্রসাদ। প্রিয়া শেঠ ২০২৩ সালের বহুচর্চিত ‘জয়পুর টিন্ডার-স্যুটকেস খুন’ মামলার অন্যতম আসামি। অন্যদিকে হনুমান প্রসাদ ২০১৭ সালে আলওয়ারে এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হন, যেখানে এক ব্যক্তি, তার তিন ছেলে ও এক ভাগ্নেকে খুন করা হয়েছিল। জয়পুরের সাঙ্গানেরে ‘ওপেন এয়ার জেলের কড়াকড়ি অন্য জেলের তুলনায় অনেকটা কম। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, এই জেলের বাছাই করা কিছু বন্দিকে সংশোধনাগারের বাইরেও কাজ করতে যেতে দেওয়া হয়। যদিও সন্ধ্যার মধ্যে তাঁদের আবার ফিরে আসতে হয়। এমনই এক জেলে ২০২৩ সাল থেকে বন্দি রয়েছেন প্রিয়া এবং হনুমান। জানা যাচ্ছে, জেলের বন্দি জীবনেই দু’জনের ঘনিষ্ঠতা শুরু হয় এবং প্রেমে পড়েন যুগল।

আরও পড়ুন:তামাকজাত পণ্যে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি ওড়িশা সরকারের!

তবে দু’জনেরই অতীত ভয়ঙ্কর। ২০১৮ সালে ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে এক যুবককে প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে তাঁকে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল প্রিয়ার বিরুদ্ধে। পরে স্যুটকেস থেকে ওই যুবকের দেহ উদ্ধার হয়। ২০২৩ সালে ওই খুনের মামলায় দোষীসাব্যস্ত হন প্রিয়া এবং তাঁর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় আদালত। অন্য দিকে ২০১৭ সালে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগ ওঠে হনুমানের বিরুদ্ধে। জানা যাচ্ছে, ওই সময়ে এক মহিলার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল হনুমানের। ‘পথের কাঁটা’ সরাতে মহিলার স্বামী, তিন সন্তান এবং এক আত্মীয়কে খুনের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে।ওই ঘটনায় ২০২৩ সালে দোষীসাব্যস্ত হন হনুমান।

সূত্রের দাবি, রাজস্থানের সাঙ্গানের ওপেন জেলে সাজা ভোগ করার সময় প্রায় এক বছর ধরেই তাঁদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।প্রায় ছ’মাস আগে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক শুরু হয় এবং ওপেন জেলে থাকার সময় তাঁরা কার্যত লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন।রাজস্থান হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে জেলা প্যারোল উপদেষ্টা কমিটি দু’জনেরই আবেদন মঞ্জুর করেছে। সূত্রের খবর, বুধবার থেকেই তাঁরা ১৫ দিনের প্যারোলে জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন। আলওয়ার জেলার বরোদামেও গ্রামে, বরের জন্মস্থানে এই বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার কথা। এই দুই দোষীর প্যারোল মঞ্জুরিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। দুষ্মন্ত শর্মা মামলায় ভুক্তভোগী পরিবারের আইনজীবী সন্দীপ লোহারিয়া জানিয়েছেন, তাঁরা এই সিদ্ধান্তকে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করবেন। তাঁর অভিযোগ, প্যারোল মঞ্জুরির বিষয়ে পরিবারকে কিছুই জানানো হয়নি।তবে কারা কর্তৃপক্ষের দাবি, সমস্ত নিয়ম মেনেই প্যারোল দেওয়া হয়েছে।

Read More

Latest News

toto DEPOBOS https://valebasemetals.com/join-us/ evos gaming

slot gacor

https://www.demeral.com/it/podcast WDBOS https://rendez-vous.benin-ambassade.fr/profil-d/