কলকাতা: কথায় আছে মাছে-ভাতে বাঙালি। বিধানসভাতেও (Assembly Lunch Rice Fish) বাঙালিয়ানার ছোঁয়া। বুধবার বিধানসভা (WB Assembly) শপথ নিলেন নব নির্বাচিত বিধায়করা। বঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে নেমে মাছে-ভাতে বাঙালির আবেগকে হাতিয়ার করেছিলেন তৎকালীন শাসকদল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সভামঞ্চ থেকে প্রতিদিন বলতেন, ‘বিজেপি ক্ষমতায় এলে মাছ-মাংস বন্ধ করে দেবে।’বিজেপির হাতে ক্ষমতা যেতেই বাঙালি আবেগ ছুঁয়ে মাস্টারস্ট্রোক দিল বিজেপি! এদিন শপথ নিয়ে বিজেপি বিধায়কদের জন্য মধ্যাহ্নভোজের মেনুতে রাখা হয়েছে মাছ-ভাত। এর উদ্যোক্তা প্রোটেম স্পিকার তথা মানিকতলার বিজেপি বিধায়ক তাপস রায় (Protem Speaker Tapas Roy)। বিধায়কদের মধ্যাহ্নভোজে মাছ-ভাতের আয়োজন করা হয়েছে, এ কথা বলার সময় মুচকি হাসেন তাপস।
বিজেপির শাসনকালে বাঙালির পাত যে মাছ-ভাত থেকে কোনওভাবেই বঞ্চিত হবে না, তাও বুঝিয়ে দিচ্ছেন খোদ নেতৃত্বরাই। আজ বিধানসভায় শপথ নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সহ ১৫২ জন বিধায়ক। শপথগ্রহণ করেছেন নিয়ামত শেখ সহ আরও দু’একজন তৃণমূল বিধায়ক।আজ বিধানসভায় বিধায়কদের শপথবাক্য পাঠ করানোর পর দুপুরের খাবারের কথাও ঘোষণা করেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। বিধানসভার কক্ষে তিনি জানান, ‘আজ সব সদস্যের জন্য লাঞ্চের ব্যবস্থা আছে মাছ ভাত।’ উল্লেখ্য, সোমবার নবান্নের নব নির্বাচিত বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকেও ছিল সন্ধ্যায় স্ন্যাকসে ছিল ফিশফ্রাইয়ের ব্যবস্থা।
আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রী হয়ে প্রথমবার বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারী, নিলেন বিধায়ক হিসেবে শপথ
ভোটের সময় তাই বিজেপি প্রার্থীদের অনেককেই মাছ নিয়ে প্রচার করতে দেখা গিয়েছে। আর তার মাধ্যমেই বার্তা দেওয়া হয় যে, বিজেপির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা মোটেই ঠিক নয়। বিজেপি বাংলার সংস্কৃতিবিরোধী নয়, বাঙালিবিরোধী নয়।তৃণমূলের দাবি একেবারেই মিথ্যা, তা প্রমাণ করল বিজেপি।মাছ-ভাতের আয়োজন করেই বিজেপি বুঝিয়ে দিতে চেয়েছে যে, তারা কখনওই মাছ-ভাতের বিরোধী নয়।







