কলকাতা: বিধানসভাতে নব নির্বাচিত বিধায়কদের শপথগ্রহণ (Oath MLA Assembly) শুরু হল। প্রথম পর্যায়ে মূলত উত্তরবঙ্গের বিধায়কদের শপথ চলছে। বুধবার বিধানসভায় প্রবেশের পরেই বিআর আম্বেডকরের মূর্তিতে মালা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এর পরে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয় মুখ্যমন্ত্রীকে। বিধানসভা ভবনের ভিতরে ঢোকার সময়ে নতজানু হয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু। প্রথমেই শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
বিজেপি সরকার এলে আমিষ বন্ধ— এই বার্তা ভুল প্রমাণ করতেই বিধানসভাতেও মাছ-ভাতের আয়োজন। শপথ নেওয়া বিধায়কদের জন্য বুধবার বিধানসভায় ঢালাও মাছভাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বিধানসভা নির্বাচনে নওদা ও রেজিনগর আসনে জয় পেয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। শেষপর্যন্ত নওদা কেন্দ্রের বিধায়ক হিসেবেই শপথ নিলেন তিনি। হুমায়ুন কবীর বলেন, আগামী এক দু'দিনের মধ্যেই রেজিনগর কেন্দ্র ছাড়বেন, যাতে দ্রুত উপনির্বাচন করানো যায়। এনিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলবে বলে জানান।
উত্তরের ৯ জেলা ও মুর্শিদাবাদের বিধায়করা শপথ নেবেন প্রথমার্ধে। অর্থাৎ সকাল ১১টা থেকে দুপুর দেড়টার মধ্যে শপথ নেবেন ৭৬ জন বিধায়ক। এর পরে দুপুর ২টো থেকে সাড়ে ৪টে অবধি শপথ নেওয়ার কথা আরও ৮০ জন বিধায়কের।
শুভেন্দু অধিকারীর পর দিলীপ ঘোষ, ক্ষুদিরাম টুডু, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক- রাজ্যের মন্ত্রীরাও বিধায়ক পদে শপথ নেন। শপথবাক্য পাঠ করান প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়।

প্রোটেম স্পীকার তাপস রায়ের সঙ্গে অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। ঠিক ১১.০৪ মিনিটে শপথ পাঠ করেন শুভেন্দু অধিকারী। বিধায়ক হিসেবে প্রথমেই শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুরের বিধায়ক হিসাবে শপথ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। স্বাভাবিকভাবেই নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছাড়লেন শুভেন্দু।
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারী। তিনি পৌঁছতেই তাঁকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। ঠিক যেভাবে গত সোমবার নবান্নে তাঁকে সম্মান জানানো হয়েছিল।







