কলকাতা: ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে জোড়া জয় পেয়েছিলেন শুভেন্দু। ভবানীপুরের বিধায়ক হিসাবে শপথ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছাড়লেন শুভেন্দু।মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর বুধবার প্রথম বিধানসভায় (West Bengal Assembly) পা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী(Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারী। তিনি পৌঁছতেই তাঁকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। বিধানসভা ভবনের ভিতরে ঢোকার আগে নতজানু হয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু। ভিতরে ঢুকে পুজোও করেন তিনি। ফেসবুকে সে ভিডিও শেয়ার করেছেন নিজেই। ১১.০৪ মিনিটে শপথ পাঠ করেন শুভেন্দু অধিকারী। বিধায়ক হিসেবে প্রথমেই শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুরের বিধায়ক হিসাবে শপথ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন শপথবাক্য পাঠ করালেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। আজ ও আগামিকাল মিলে মোট ২৯০ জন বিধায়ক শপথ নেবেন।
প্রথম অধিবেশন ঘিরে সকাল থেকেই সাজ সাজ রব ছিল বিধানসভা চত্বরে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর এই প্রথম নবনির্বাচিত বিধায়করা রাজ্য বিধানসভায় সমবেত হলেন। বিধঘানসভায় চলছে নব নির্বাচিত বিধায়কদের শপথগ্রহণ। প্রথমেই শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী।বুধবার ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলেন তিনি।এ দিন বিধায়ক হিসেবে প্রথমেই শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী। এর পরে একে একে শপথ নেন দিলীপ ঘোষ, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু, নিশীথ প্রামাণিকরা। শপথবাক্য পাঠ করান প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়।প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি নন্দীগ্রাম থেকে জয়লাভ করেছিলেন, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজিত হন। পরবর্তীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর উপ-নির্বাচনে জিতে বিধায়ক পদ ফিরে পান। ২০২৬ সালের নির্বাচনে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে জোড়া জয় পেয়েছিলেন শুভেন্দু।এদিন নন্দীগ্রাম ছাড়লনে, শপথ নিলেন ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে।
আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রী হয়ে প্রথমবার বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারী, নিলেন বিধায়ক হিসেবে শপথ
বিধানসভা ভবনে প্রবেশ করার পর মুখ্যমন্ত্রী নিজের জন্য বরাদ্দ কক্ষে যান এবং সেখানে পুজো দেন। তবে এদিন সবথেকে বেশি চমক ছিল মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে তৃণমূল বিধায়কদের উপস্থিতি। সৌজন্যের খাতিরে হোক বা অন্য কোনও রাজনৈতিক সমীকরণে, শুভেন্দু অধিকারীর ঘরে ঢুকতে দেখা গেল হরিহরপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক নিয়ামত শেখ, রঘুনাথগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক আখরুজ্জামান এবং সুতির তৃণমূল বিধায়ক ইমানি বিশ্বাসের মতো নেতাদের।







