ওয়েবডেস্ক- ভোটের (2026 West Bengal Assembly Election) মুখে রাজনৈতিক চাঞ্চল্য! কমিশনের (Election Commission) নজরে প্রায় ৮০০ তৃণমূল কর্মী (800 Tmc Worker)। গ্রেফতারের আশঙ্কা! এই ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।
জানা গেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশন পুলিশের মাধ্যমে বিধানসভার প্রতিটি ক্ষেত্র থেকে প্রায় ৮০০ তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের নাম নিয়েছে। তাদের গ্রেফতারের আশঙ্কা করা হচ্ছে। অবিলম্বে আদালতে বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুক।
এমনটাই অভিযোগ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের (Chief Justice Sujoy Paul) দৃষ্টি আকর্ষণ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মামলা দায়েরের অনুমতি ও দ্রুত শুনানির আবেদন। মামলা দায়ের করার পর আগামী বুধবার শুনানি।
আরও পড়ুন- কলকাতায় ফের অ্যাকশন মোডে ইডি! এবার তল্লাশি পুলিশের ডিসি’র বাড়িতে! দেখুন বড় খবর
ঠিক কী কারণে এই গ্রেফতারির আশঙ্কা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ভোটের মুখে এই খবরে তুঙ্গে রাজনৈতিক চাঞ্চল্য। সূত্রের খবর, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে পুলিশ ও বিএলও-র মাধ্যমে এই গ্রেফতারির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই ঘটনায় ফের উত্তপ্ত হবে রাজ্য রাজনীতি বলেই আশঙ্কা করছে রাজনৈতিক মহল। নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও অবাধ ভোটগ্রহণে লক্ষ্যে একাধিক কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। শান্তিপূর্ণ ভোটের লক্ষ্যে সম্ভাব্য “troublemakers” বা গণ্ডগোল পাকাতে পারে এমন কর্মীদের চিহ্নিত করেছে। এদিকে শাসকদলের অভিযোগ ‘বিজেপির প্ররোচনায়’ সব কাজ হচ্ছে।
অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও স্থানীয় পুলিশের যৌথ তৎপরতায় এই বিশেষ পদক্ষেপের ইঙ্গিত।
সম্প্রতি ১৬ জেলার এসপি, সিপিদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠকে করেন রাজ্য মুখ্য নির্বাচন কমিশনার মনোজকুমার আগরওয়াল (Chief Electoral Officer Manoj Kumar Agarwal)। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কড়া নির্দেশ ভোটের দিন অশান্তি কোনও মতে বরদাস্ত করা হবে না। কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে, সঙ্গে সঙ্গেই অ্যাকশন নিতে হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোনও গাফিলতি হলেও ওসিদের সাসপেন্ড করা হতে পারে বলেও সতর্ক করে দিয়েছে কমিশন।
সিইও মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, ভোটের দিন কোনও এলাকায় কোনও অস্ত্র, বোমা, গুলি উদ্ধার হলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসিদের ব্যবস্থা নিতে হবে। না হলেও কড়া পদক্ষেপ নেবে কমিশন। গত ভোটে যাদের বিরুদ্ধে অশান্তির অভিযোগ ছিল তাদের এখনও পর্যন্ত কেন গ্রেফতার করা হয়নি? সেই নিয়েও এদিন প্রশ্ন তোলেন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক। জেলায় জেলায় দাগী অপরাধীদের চিহ্নিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
যাদের বিরুদ্ধে আগেই হিংসার মামলা রয়েছে, ভোটে যাতে তারা যাতে আর নতুন করে অশান্তি ছড়াতে না পারে তার একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে কমিশন। এই আবহেই প্রথম দফার আসন ধরে ধরে পুলিশকে খুঁটিনাটি বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন মনোজ আগরওয়াল। এর পরেই ৮০০ তৃণমূল কর্মীর আশঙ্কার খবর সামনে এল। যা নিয়ে রাজনীতির ময়দানের চরম চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।







