ওয়েব ডেস্ক : সামনেই কোরবানি ইদ (EID)। তার আগে পশু হত্যা নিয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বিজেপি (BJP) সরকারের তরফে। এ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। আর এই বিষয় নিয়ে এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) চিঠি লিখলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury)। এই বিষয় নিয়ে হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
১৯৫০-এর প্রাণিসম্পদ আইন অনুযায়ী প্রকাশ্যে গবাদি পশুর মাংস কাটা ও বিক্রিতে বেশ কিছু নিয়ম কার্যকর করেছে বিজেপি সরকার। নিয়ম বহির্ভূতভাবে পশু হত্যাকে দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য করা হবে। গরু, মহিষ, বলদ বলির উপর জারি করা হয়েছে একাধিক শর্ত। আর নিয়ে সংখ্যালঘু সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদের বড় অংশজুড়ে সংখ্যালঘুরা আতঙ্কিত।
এ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে অধীর (Adhir Ranjan Chowdhury) জানিয়েছেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকারের “পশু জবাই নির্দেশিকা” সংক্রান্ত সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তিকে কেন্দ্র করে বিশেষত সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মুর্শিদাবাদ জেলায় যে বিভ্রান্তি ও অস্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, সেই বিষয়টি নিয়ে আমি মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।”
আরও খবর : কালবৈশাখীর তাণ্ডবে উপড়ে পড়ল গাছ! বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ডুয়ার্সে এখন কী অবস্থা? দেখুন বড় খবর
সঙ্গে লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গ বহু ভাষা, বহু সংস্কৃতি ও বহু ধর্মীয় ঐতিহ্যের এক মিলনভূমি। প্রত্যেক সম্প্রদায়ের মানুষের সামাজিক ও ধর্মীয় রীতিনীতি পালনের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।” এই বিষয় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে লেখা চিঠিতে কংগ্রেস নেতা প্রস্তাব দিয়েছেন, ” প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট স্থান চিহ্নিত করে দেওয়া হোক, যেখানে মানুষ তাঁদের প্রচলিত ধর্মীয় রীতিনীতি শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে পারবেন। এতে অযথা বিভ্রান্তি দূর হবে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিও বজায় থাকবে।”
তবে এ নিয়ে সরকারের তরফে কিছু জানানো হয়নি। তবে চিঠি পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করা হয়েছে নবান্ন সূত্রে খবর। এদিকে রাজ্যের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে এসইউসিআইও।
দেখুন অন্য খবর :







