কোচবিহার: নির্বাচনের দিন উত্তপ্ত হয়ে উঠল তুফানগঞ্জ (Tufanganj) বিধানসভার মহিষকুচি ২ গ্রাম পঞ্চায়েত বাকলা এলাকা। ৪০ ও ৪১ নম্বর বুথে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ‘বুথ জ্যামিং'(Tufanganj Election Booth Jamming)-এর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগকে কেন্দ্র করে বুথ চত্বরে তৃণমূল কর্মীদের ব্যাপক জমায়েত তৈরি হয়।বুথ জ্যামিংয়ের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বক্সিরহাট থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।
তুফানগঞ্জে বুথ জ্যামিং অভিযোগ ঘিরে সংঘর্ষ। বুথ জ্যামিংয়ের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বক্সিরহাট থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। জমায়েত সরাতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ শুরু করে। পুলিশের অভিযানে তৃণমূলের অস্থায়ী ক্যাম্পটি ভেঙে দেওয়া হয়। একইসাথে পার্শ্ববর্তী বিজেপির অস্থায়ী ক্যাম্পটিও সরিয়ে দেয় পুলিশ।ঘটনাস্থলে বর্তমানে প্রচুর চেয়ার-টেবিল ভাঙা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। এলাকায় পুনরায় বিশৃঙ্খলা এড়াতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহলদারি বাড়ানো হয়েছে। পরিস্থিতি এখন থমথমে থাকলেও পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।প্রসঙ্গত, হিংসা-মুক্ত ভোট। এই ছিল রাজ্যবাসীর দাবি। নির্বাচন কমিশনও এবার ভোটে হিংসা রুখতে প্রথম থেকে তৎপরতা শুরু করে। প্রথম দফায় ভোটপর্ব বেশ কিছুক্ষণ অতিবাহিত।হিংসা-অশান্তি কি আটকানো গেল না। কোচবিহার-বীরভূম-মুর্শিদাবাদে বিক্ষিপ্ত হিংসার খবর মিলেছে।







