কলকাতা: ভোট মিটতেই আজ, শনিবার নতুন করে উত্তপ্ত ফলতার হাসিমনগর। পুনর্নির্বাচনের (Re Election) দাবিতে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়াল ফলতায় (Falta)। এলাকায় পুনর্নির্বাচনের (Re Election) দাবিতে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় বাসিন্দারা। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায়।ফলতার এই অশান্তি এবং বিজেপিকে ভোট দেওয়ার কারণে মারধরের ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। অন্যদিকে আজই মগরাহাট পশ্চিমের ১১টি বুথ ও ডায়মন্ড হারবারের ৪টি বুথে পুনির্বাচন হচ্ছে। কিন্তু ফলতা নিয়েও গুচ্ছ গুচ্ছ অভিযোগ উঠলেও সেখানে কোনও পুনির্বাচন হচ্ছে না। জানা যাচ্ছে ফলতা নিয়ে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিতে পারে কমিশন।
শুক্রবার থেকে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় ফলতায়। বিজেপি কর্মীদের উপর মারধরের অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ফলতার হাশিমনগর। শনিবারও ওই একই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। গ্রামবাসীদের একাংশের অভিযোগ, জাহাঙ্গির-ঘনিষ্ঠ এক গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান ইসরাফিল সর্দারের নেতৃত্বে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সেই অভিযোগ তুলে শনিবার ১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন গ্রামবাসীদের একাংশ। পুনর্নির্বাচনের দাবি তুললেন গ্রামবাসীদের একাংশ।ফলতা বিধানসভা নিয়ে আরও কড়া নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। গোটা বিধানসভাতেই পুনর্নির্বাচনের (West Bengal Repoll) নির্দেশ দেওয়া হতে পারে বলে কমিশন সূত্রে খবর।কমিশন সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। যদিও তার আগে উচ্চ পর্যায়ের একটি বৈঠক হতে পারে। ও শোনা যাচ্ছে ফলতার পুনর্নিবাচন হতে পারে গণনার পরেও। আইন অনুযায়ী গণনার পরেও পুনর্নির্বাচন করতে পারে কমিশন। এ ক্ষেত্রে যদি রিপোল হয় তাহলে সেই আইন প্রয়োগ করতে পারে কমিশন।
আরও পড়ুন: পুনর্নির্বাচনের দাবিতে দফায় দফায় উত্তেজনা ফলতায়
শোনা যাচ্ছে ফলতায় রিপোল হতে পারে গণনার আগের দিনও। রবিবারও পুনর্নিবাচন করাতে পারে কমশন। ফলতা নিয়ে গতকাল রিপোর্ট পাঠানো হলেও এখনও কোন সিদ্ধান্ত না হওয়ায় শেষে এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারে কমিশন।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ফলতা নিয়ে একাধিক অসঙ্গতি উঠে এসেছে কমিশনের স্ক্রুটিনিতে। ইভিএমে টেপ লাগানোর যেমন অভিযোগ সামনে এসেছে, তেমনই বেশ কিছু জায়গাতে ইভিএমে আতর লাগানো ছিল বলেও দাবি। ইতিমধ্যেই ফলতা নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়েছে সিইও দফতর। কমিশন সূত্রে খবর, এরপরেই গোটা ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রেই পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।







