Sunday, June 28, 2026
HomeScrollরাজ্য সভাপতি কি গুরুত্বহীন? বিজেপির অন্দরে সক্রিয় একাধিক চক্রে বাড়ছে বিভ্রান্তি
BJP

রাজ্য সভাপতি কি গুরুত্বহীন? বিজেপির অন্দরে সক্রিয় একাধিক চক্রে বাড়ছে বিভ্রান্তি

রাজ্য বিজেপির নতুন পদাধিকারীদের তালিকা ঘোষণা করা যায়নি

কলকাতা: রাজ্য বিজেপিতে কি ধীরে ধীরে কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)? সভাপতি পদে বসার সময় যে উচ্ছ্বাস ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, পাঁচ মাসের মধ্যেই তা অনেকটাই ম্লান—এমন প্রশ্নই উঠতে শুরু করেছে দলের অন্দরমহলে। এখনও পর্যন্ত রাজ্য বিজেপির (BJP) নতুন পদাধিকারীদের তালিকা ঘোষণা করা যায়নি। ফলে পুরনো কমিটিই কার্যত কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, যা নেতৃত্বের সক্ষমতা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।

তার উপর দলের মধ্যে স্পষ্টভাবে তিনটি আলাদা ধারা, শমীক ভট্টাচার্য, সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারী। আলাদা আলাদা কর্মসূচি, পৃথক রাজনৈতিক গতিপথ। অভিযোগ উঠছে, এই দুই শীর্ষ নেতার কর্মসূচি বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বিষয়ে রাজ্য সভাপতিকে অনেক ক্ষেত্রেই জানানো হচ্ছে না। ফলে দলের ভিতরে রাজ্য সভাপতিকে উপেক্ষা করার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে বলেই মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

আরও পড়ুন: হাওড়ায় চাঞ্চল্যকর ঘটনা! ঘুমন্ত অবস্থায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু ৪ জনের

এই অবস্থায় সবচেয়ে বড় সমস্যায় পড়ছেন দলের কর্মীরা। তাঁরা বুঝে উঠতে পারছেন না—কার নির্দেশ মেনে চলবেন? কাকে নেতা বলে মানবেন? এর ফলেই রাজ্য বিজেপিতে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে বলে দাবি দলেরই একাংশের। সংগঠন দুর্বল হচ্ছে, মাঠে নামার জায়গায় তৈরি হচ্ছে দ্বিধা ও বিভ্রান্তি।

আরও অভিযোগ, যেসব নেতাকে বা পদাধিকারীকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ রয়েছে, যাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে—শমীক ভট্টাচার্য সভাপতি হওয়ার পর কর্মীদের একটা বড় অংশ ভেবেছিল, এবার তাঁদের সরানো হবে। কিন্তু পাঁচ মাস পেরিয়েও দেখা যাচ্ছে, সেই পুরনো মুখগুলিই এখনও প্রভাবশালী। ফলে শমীকের উপর আস্থা ক্রমশ কমছে দলের নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে।

এই পরিস্থিতিতে সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারী নিজেদের মতো করে রাজনৈতিক কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। কে কোথায় যাচ্ছেন, কী কর্মসূচি নিচ্ছেন—তার অনেকটাই রাজ্য সভাপতির অজানা বলেই অভিযোগ। ফলে একাধিক উপদলের প্রভাবে রাজ্য বিজেপি কার্যত দিশাহীন অবস্থায় দাঁড়িয়ে।

পুরনো ও নতুনের সমন্বয় ঘটাতে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্য যেন একা পড়ে গেছেন—দলের অন্দরে এমনটাই আলোচনা। অনেকের মতে, রাজ্য সভাপতি এখন যেন “একলা কুম্ভরক্ষক”, অথচ সংগঠনের ভিত মজবুত করার জন্য প্রয়োজন ছিল সম্মিলিত নেতৃত্ব ও স্পষ্ট দিকনির্দেশ। রাজ্য বিজেপির এই অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন আগামী দিনে সংগঠন ও নির্বাচনী রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

দেখুন আরও খবর: 

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ BWO99 poker idn poker situs slot gacor situs toto istanaslot istanaslot sohibslot tikus4d https://tikus4dlink.com situs slot gacor AMANAHTOTO AMANAHTOTO Pakde4D slot gacor hari ini SlotPoker188 kecak4d AMANAHTOTO premantoto AMANAHTOTO Pakde4D petir188 slot TOTO MACAU AMANAHTOTO