বীরভূম: আগামীকাল বাদ পরশু মঙ্গলবার থেকে শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্যের শান্তিনিকেতন (Santiniketan) পৌষমেলা (Poush Mela) । মেলার শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে পূর্বপল্লীর মাঠ পরিদর্শনে বিশ্বভারতীর উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও বীরভূম জেলা পুলিশ।
আগামী ৭ই পৌষ ২৩ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে রবি ঠাকুরের শান্তিনিকেতন পৌষ মেলা। মঙ্গলবার ব্রহ্ম উপাসনা, বৈদিক মন্ত্র পাঠ ও রবীন্দ্র সংগীতের মধ্য দিয়ে পৌষ মেলার সূচনা হবে। তার আগে শান্তিনিকেতনের ভুবনডাঙ্গা পূর্বপল্লীর মাঠে চূড়ান্ত ব্যস্ততা ব্যবসায়ীদের। স্টল নির্মাণের কাজ চলছে। বসছে নাগরদোলা, বিভিন্ন খাবারের দোকান।

এবছর শান্তিনিকেতন পৌষ মেলা ছয় দিনের। মেলায় দুর্নীতি রুখতে এবং স্বচ্ছতা আনতে একুশে ডিসেম্বর সকালে মেলার মাঠ পরিদর্শন করলেন বোলপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক রিকি আগারওয়াল এবং শান্তিনিকেতন পৌষমেলা কমিটির আধিকারিকরা।
বোলপুরের মহকুমা পুলিশ আধিকারিক জানান, শান্তিনিকেতন পৌষ মেলা সর্বাঙ্গীন সাফল্যমন্ডিত করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিন্দুমাত্র ত্রুটি রাখা হয়নি।
আরও পড়ুন- খসড়া তালিকায় ১.৩৬ কোটি ভোটারের তথ্যে অসঙ্গতি!
প্রায় আড়াই হাজার পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে শান্তিনিকেতন পৌষ মেলা ঘিরে। সিসিটিভি, ওয়াচ টাওয়ার, সাদা পোশাকে পুলিশ, অ্যান্টি ক্রাইম টিম, কিউআরটি টিম, র্যাফ মোতায়েন করা করা হয়েছে। মেলার মাঠ প্রবেশের বহু আগে ড্রপ গেট করে দেওয়া হয়েছে। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রয়েছে।
অন্যদিকে মেলা কমিটির অন্যতম দায়িত্বে রয়েছেন অধ্যাপক অমিত হাজরা, তিনি জানান এবছর মেলা প্রায় ১৫০০ মতো স্টল হচ্ছে। সমস্ত রকমের দোকানপাট এসেছে মেলায়। বেশ ভালো সেজে উঠেছে শান্তিনিকেতন পৌষ মেলা। আমরা পরিবেশবান্ধব মেলার উপর বেশি করে জোর দিচ্ছি। মেলার স্বচ্ছতা আনতে প্রতিটি দোকানে গিয়ে পরিচয় পত্র দেখে নেওয়া হচ্ছে।
দেখুন আরও খবর
–







