Sunday, February 8, 2026
HomeScrollশান্তিপুরে রাম মন্দির ঘিরে জোর চর্চা
Nadia

শান্তিপুরে রাম মন্দির ঘিরে জোর চর্চা

নির্মাণকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা ও রাজনৈতিক তরজা

নদিয়া: নদিয়ার (Nadia) শান্তিপুরে (Shantipur) রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা ও রাজনৈতিক তরজা। “শান্তিপুরের মাটিতে গড়ে উঠুক রামের মন্দির, বাঙালির গর্ব ছুঁয়ে যাক আকাশের শিখর”—এই স্লোগান লেখা ব্যানার এখন শহরের আনাচে-কানাচে। ব্যানারে উল্লেখ রয়েছে শ্রী কৃত্তিবাস রাম মন্দির ট্রাস্ট-এর নাম।

জানা গিয়েছে, শান্তিপুর থানার অন্তর্গত বেলঘড়িয়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের চাপাতলা এলাকায় তৈরি হবে এই রাম মন্দির। ট্রাস্ট কমিটির সম্পাদক লিটন ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, ২০১৭ সাল থেকে তারা কাজ করে চলেছেন। ২০২৫ সালে ট্রাস্ট হিসেবে সরকারি স্বীকৃতি পেয়েছে সংগঠনটি। প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই মন্দির নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে এবং ২০২৬ সাল থেকে কাজ শুরু হওয়ার কথা। সাধারণ মানুষের সহযোগিতাতেই এই মন্দির গড়ে উঠবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন: ‘BLA-2দের শুনানিতে রাখতে হবে, না হলে বন্ধ থাকবে শুনানি’: অসিত মজুমদার

ট্রাস্ট কমিটির সভাপতি শান্তিপুরের প্রাক্তন বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য। তাঁর উদ্যোগেই এই প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে বলে দাবি ট্রাস্টের। পাশাপাশি, নদীয়ার ঐতিহ্যবাহী কবি কৃত্তিবাস ওঝার লেখা রামায়ণের যে অংশ বর্তমানে ফ্রান্সে রয়েছে, সেটি দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমের সামনে স্বীকার করেছেন ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ।

তবে এই মন্দির নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শাসকবিরোধী দুই শিবিরই। শান্তিপুরের তৃণমূল বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী বলেন, “নিজের জায়গায় মন্দির করলে অসুবিধা নেই, কিন্তু ভগবান রামকে নিয়ে রাজনীতি করা ঠিক নয়।” হঠাৎ করে মন্দির নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

অন্যদিকে, রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার জানান, হিন্দুদের জন্য মন্দির হওয়া ভালো বিষয়। তবে তাঁর দাবি, ট্রাস্টের আর্থিক লেনদেন যেন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ থাকে।

প্রাক্তন বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য পাল্টা কটাক্ষ করে বলেন, শান্তিপুরের উন্নয়নের পথে বারবার রাজনৈতিক বাধা দেওয়া হচ্ছে। একযোগে তৃণমূল ও বিজেপিকে আক্রমণ করে তিনি দাবি করেন, এই প্রকল্প শান্তিপুরকে আত্মনির্ভর করে তুলবে।’

Read More

Latest News