Saturday, February 7, 2026
HomeScrollসুপ্রিম কোর্টে ইডির মামলা নিয়ে মমতাকে আক্রমণ সুকান্ত-র
Sukanta Majumdar

সুপ্রিম কোর্টে ইডির মামলা নিয়ে মমতাকে আক্রমণ সুকান্ত-র

পুলিশকে লেলিয়ে দিয়ে তদন্ত বন্ধ করার চেষ্টা করেছিল!

ওয়েব ডেস্ক : ইডির (ED) বিরুদ্ধে একাধিক মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) গিয়ে থাপ্পড় খেল রাজ্য। শীর্ষ আদালতে গিয়ে থাপ্পড় খেয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং তার দলবল ফেরত এসেছে। কাঁকসায় দলীয় কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সংবাদমাধ্যমের সামনে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

তিনি বলেন, “দু’জন তাবর তাবর আইনজীবী যারা লক্ষ লক্ষ টাকা নেন আদালতে লড়ার জন্য। একজন হচ্ছেন কপিল সিব্বাল, আর একজন হচ্ছেন অভিষেক মনু সিংভি। যারা একদিন আদালতে দাঁড়ানোর জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা নেন। একজনকে দাঁড় করানো হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। আর একজনকে দাঁড় করানো হয়েছিল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। তারপরেও সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছে, সেই রায় তৃণমূলের গালে একটা বড় থাপ্পড় ছাড়া আর কিছুই না। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) মাঝেমধ্যেই নন্দলালের কথা বলতেন। এবার রাতে আয়নার সামনে দাঁড়ালে তিনি নন্দলাল কে দেখতে পারবেন। দুই গালে থাপ্পর খেয়ে নন্দলাল হয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও তার সরকার ফিরে এসেছে।”

আরও খবর : গলগল করে বেরোচ্ছে ধোঁয়া, থমকে গেল চাকা! দূরপাল্লার ট্রেনে হুলুস্থুল কাণ্ড

সঙ্গে তিনি বলেন, “তৃণমূল প্রথম থেকেই চেষ্টা করেছিল মামলাটিকে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) থেকে হাইকোর্টে নিয়ে যাওয়ার জন্য। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট তাতে রাজি হয়নি।” তিনি বলেন, যেভাবে ইডি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছিল। সেই মামলাই সুপ্রিম কোর্ট স্থগিতাদেশ দিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছে,মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশকে লেলিয়ে দিয়ে তদন্ত বন্ধ করার চেষ্টা করেছিল। সেটা আর সম্ভব হবেনা।

অন্যদিকে এসআইআর নিয়ে সুকান্ত বলেন, “এসআইআর (SIR) নিয়ে রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ আন্দোলন ভাঙচুর চলছে ঠিক কথা। কিন্তু সেগুলি কোথায় হচ্ছে, সেই জায়গাগুলি ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। সব থেকে বেশি আন্দোলন হচ্ছে চোপড়াতে। সেখানকার বিধায়ক হামিদুল। সেখানে ৭০ শতাংশ জনসংখ্যা মুসলিম। ৩০ শতাংশ জনসংখ্যা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের। অন্যদিকে গন্ডগোল হয়েছে ফারাক্কাতে। সেখানে ৫০ শতাংশ জনসংখ্যা মুসলিম এবং ৫০ শতাংশ জনসংখ্যা হিন্দু সম্প্রদায়ের। এছাড়াও লালগোলাতেও বিক্ষোভ আন্দোলন হয়েছে। সেখানেও প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস। হামিদুল হোক বা রফিকুল, এদের উদ্দেশ্য এক। সেটা হল যেন তেনো প্রকারে বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের নাম ভোটার লিস্টে রাখতেই হবে। ভোটে জেতা শুধু তাদের উদ্দেশ্য নয়। এই রাজ্যকে তারা ইসলামিক স্টেট বানাতে চায়। এটাই হল তাদের মূল উদ্দেশ্য। অর্থাৎ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজ্য বানাতে চায় তারা। যার জন্যেই এসআইআর নিয়ে বিরোধীতা করে রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন এলাকায় অবরোধ বিক্ষোভ ভাঙচুর চলছে।”

দেখুন অন্য খবর :

Read More

Latest News