ওয়েব ডেস্ক: কুরবানীর ইদের (Quarbani Eid) নে একদিকে ইসকন মায়াপুরে (ISKCON Mayapur) গো-মাতাকে পুজো দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আর ঠিক সেই সময়েই ডুয়ার্সের (Dooars) বানারহাটের তেলিপাড়ায় ফেজ-টুপি মাথায় মিছিলে হাঁটলেন স্থানীয় মুসলিম সমাজের একাংশ। দাবি একটাই- গরুকে (Cow) জাতীয় পশুর মর্যাদা দিতে হবে।
ইদের নামাজ মিটতেই তেলিপাড়া গ্রামীণ মসজিদ ও বড়ো জুমা সমাজের ডাকে রাস্তায় নামেন তাঁরা। হাতে প্ল্যাকার্ড, মুখে স্লোগান গো-রক্ষা চাই, কিন্তু ঘৃণা নয় – মানবতা চাই, বিভেদ নয়’। মিছিল থেকে মূলত দু’টি আর্জি ওঠে। এক, সরকারি নির্দেশ মেনে এই বছর কুরবানীতে গরু জবাই থেকে বিরত থাকার আবেদন। দুই, কেন্দ্রের কাছে দরবার- সারা দেশে গো-হত্যা আইন করে বন্ধ করা হোক এবং বিদেশে গরু রফতানির দরজা চিরতরে বন্ধ হোক।
আরও পড়ুন: তোলাবাজি করে বানিয়েছিলেন প্রাসাদোপম ‘গ্যালাক্সি’! তৃণমূলের সেই উপপ্রধানকে এবার ধরল পুলিশ
ব্যানারে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি ছিল- ‘আইন হাতে তুলবেন না। পুলিশ-প্রশাসন আছে, বিচারের ভার তাঁদের। গণপিটুনি, মারধর, খুন অমানবিক ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। উঠে আসে গরিব পশুপালকদের পেটের ভাতের কথাও। দাবি, সীমান্তে নজরদারি জোরদার করে অবৈধ পাচার রুখতে হবে। শেষ কথায় বলা হয়, গরু, মসজিদ, মন্দির নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না। দেশের আসল কথা উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য আর ছেলেমেয়েদের চাকরি।’ বানারহাট থানা সূত্রে খবর, মিছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ছিল। কোথাও কোনও ঝামেলা হয়নি।
একই দিনে মায়াপুরের গো-পুজো আর কুরবানীর সকালে বানারহাটের এই মিছিল- দুই ঘটনা ঘিরে এখন জোর চর্চা তেলিপাড়ায়। এটা কি সম্প্রীতির বিরল নজির, না কি উৎসবের দিনে রাজনৈতিক অঙ্ক? প্রশ্ন সবার মুখে।
দেখুন আরও খবর:







