ওয়েব ডেস্ক : জামিন পেলেন শতদ্রু দত্ত ! ৩৭ দিন পর জামিন পেলেন তিনি। যুবভারতী বিশৃঙ্খলার পর কলকাতা বিমানবন্দর থেকে ১৩ ডিসেম্বর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল পুলিশের তরফে। এর পর ১৪ দিন পুলিশি হেফাজতে ছিলেন তিনি। ২৮ ডিসেম্বর দীর্ঘ সওয়ালের পর জামিন খারিজ হয়ে গিয়েছিল মেসিকে কলকাতায় আনার প্রধান কারিগরের। তবে এবার অবশেষে জামিন পেলেন তিনি। ১০ হাজার টাকা বন্ডের বিনিময়ে সোমবার তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিন দেওয়া হয়েছে।
শতদ্রুর বিরুদ্ধে দু’টি মামলা দায়ের হয়েছিল। তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছিল পুলিশ। বিধাননগর থানায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু হয়েছিল। যুবভারতী বিশৃঙ্খলা নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে মামলা করা হয়েছিল। এমনকি শতদ্রুর রিষড়ার বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছিল বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। তাঁর ব্যাঙ্ক ও লেনদেন সংক্রান্ত হিসেবনিকেশও খতিয়ে দেখেন বিশেষ তদন্তকারী দলের আধিকারিকরা। পাশাপাশি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল তাঁর ২২ কোটি টাকার সম্পত্তিও।
আরও খবর : ব্যর্থ রোহিত, জাদেজা! ফের সিরিজ হারের মূল কারণ কি এটাই ছিল?
জানা গিয়েছে, সোমবার আদালতে সওয়ালের সময় শতদ্রুর আইনজীবী জানান, জেলে তাঁর মক্কেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি আরও বলেন, যুবভারতী কাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির মামলায় বাকিদের জামিন দেওয়া হয়েছে, কেন তাঁর মক্কেলকে জামিন দেওয়া হবে না? শতদ্রুকে হেফাজতে রাখার কি প্রয়োজন? এই প্রশ্নও তোলেন আইনজীবী। তার পরেই জামিন দেওয়া হয় মেসিকে কলকাতায় আনা মূল কারিগরকে।
প্রসঙ্গত, মেসি মামলায় দু’টি পৃথক মামলা হয়েছিল। প্রথমটি হয়েছিল শতদ্রুর বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় মামলা হয়েছিল ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের বিষয়ে। এই কারণে বেশ কয়েকজনকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল। তবে পুলিশের তরফে জামিনের বিরোধীতা করা হয়েছিল। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, আর্জেন্তাইন তারকা মেসি দেখার জন্য প্রায় ৩৫ হাজার দর্শক যুভারতীতে এসেছিলেন। ১৯ কোটি টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছিল। আর শতদ্রুকে জামিন দেওয়া হলে তিনি পালিয়ে যেতে পারেও বলে আদালতে জানানো হয়েছিল পুলিশের তরফে। সেই কারণে তাঁর জামিন আগে খারিজ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু অবশেষে জামিন পেলেন তিনি।
দেখুন অন্য খবর :







