Sunday, April 12, 2026
HomeScrollAajke | জনসংযোগে বেরিয়ে ঝ্যাঁটা দেখছে বিজেপি!
Aajke

Aajke | জনসংযোগে বেরিয়ে ঝ্যাঁটা দেখছে বিজেপি!

ভোট আসতেই জনসম্পর্ক যাত্রা বিজেপির

বিজেপি জনসম্পর্ক যাত্রা শুরু করেছে। সারাবছর আমরা বিজেপির কাকে কাকে রাস্তায় দেখেছি? অবশ্যই দেখেছি শুভেন্দু অধিকারিকে (Suvendu Adhikari), দেখেছি দিলীপ ঘোষকে, দেখেছি শঙ্কর ঘোষকে, তাঁরা তাঁদের কনস্টিচুয়েন্সির দিকে একটা চোখ রেখে অন্য চোখ রেখেছেন রাজ্য রাজনীতিতে। কিন্তু বাকি এমএলএ রা? যাঁদের অনেকের নামে পোস্টার পড়েছে, নিরুদ্দেশ আমাদের বিধায়ক। তাঁদের খোঁজ মিলছে এখন। আসলে ক্ষমতাশীন দলের কনিষ্ঠতম বিধায়ককেও সারাবছর নানান কাজ আর অকাজে এলাকাতে ঘুরতে হয়, বছরকার ২১ শে জুলাই আছে, কালিঘাট থেকে নির্দেশ আছে, কর্মী সমাবেশ আছে, বিভিন্ন ক্লাব আর সংগঠনে উপস্থিতি আছে। কিন্তু বিরোধী দলের বিধায়ক? তিনি যদি রাজনৈতিক ভাবেই সক্রিয় না হন, তাহলে তাঁর উপস্থিতি চোখে পড়বে না, আর তিনি যদি অগ্নিমিত্রা পল (Agnimitra Paul)এর মতন জাতীয় আর রাজ্যের রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত থাকেন তাহলে এলাকাতে ক্ষোভ জন্মাবে। কদিন আগেই তিনি ভোট আসছে এই তাগিদেই নিজের অঞ্চল ঘুরে দেখতে গিয়েছিলেন, তো এক এলাকাতে তাঁকে এক অত্যন্ত নিরীহ প্রশ্নের উত্তর দিতে হল, যে পাড়াতে এসেছেন বলুন দেখি তার নাম কী? দিলীপ ঘোষ হলে পাড়ার নাম তার পাশের পাড়ার নাম বা তারও পাশের পাড়ার নাম বলে দিতেন, কিন্তু ইনি তো অগ্নিমিত্রা পাল নয় পল, বললেন আমি কি কাউন্সিলার নাকি? হ্যাঁ এততাই জনবিচ্ছিন্ন বিজেপি বিধায়কেরা, তাঁদের এলাকাতে তাঁদের দেখা পাওয়া যায় না। অভিযোগ কেবল আসানসোলে নয়, রাজ্যজুড়ে, অতএব ভোট আসতেই জনসম্পর্ক যাত্রা করে বিজেপি তা শোধরানোর চেষ্টা করছে, কিন্তু ফল বিপরীত, ক্ষোভ সর্বত্র, সেটাই বিষয় আজকে, জনসংযোগে বেরিয়ে ঝ্যাঁটা দেখছে বিজেপি !

হ্যাঁ, আম আদমি পার্টি এই বাংলাতে নেই, কিন্তু তাঁদের প্রতীক চিহ্ন আজ অনেক অঞ্চলের মহিলাদের হাতে, সেরকম ছবি বেশ কিছু জায়গাতে দেখা গেল, বিজেপি বিধায়ক সুমিতা সিনহা নিজের বিধানসভা এলাকায় দলের ‘গৃহসম্পর্ক’ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন, উত্তর কাঁথি বিধানসভার ভাজাচাউলি এলাকায় ওই কর্মসূচি চলছিল, দলের নেতা–কর্মীরা মোটরবাইকে চেপে এলাকায় ঘুরে ঘুরে জনসংযোগ করছিলেন, বিধায়কও ছিলেন। তো তিনি যখন দলীয় কর্মীদের মোটরবাইকে চেপে ভাজাচাউলি এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন, সেই সময়ে রাস্তার পাশে দাঁড়ানো মহিলারা ঝাঁটা হাতে বন্দেমাতরম স্লোগান দিতে দিতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তবে বিক্ষোভকারী মহিলারা তাঁর পথ না আটকালেও বিধায়ক বিক্ষোভকারীদের দেখে মোটরবাইক থামিয়ে দেন। পরে কোনও উত্তর না-দিয়ে সেখান থেকে চলে যান। যদিও ঝাঁটা হাতে তাঁর বিরুদ্ধে এমন বিক্ষোভ এর পরে তিনি বলেছেন, ‘কারা বিক্ষোভ দেখিয়েছে, এর পিছনে কাদের মদত রয়েছে তা সকলেই জানেন। স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন যবে থেকে শুরু হয়েছে, তবে থেকেই এদের গা জ্বালা করছে। তৃণমূল এদের ভুল বুঝিয়ে রাস্তায় নামিয়েছে।’ দুটো ভুল, এক তো সেখানে থামা। দুই ঘটনাকে এস আই আর এর সঙ্গে জুড়ে দেওয়া। সে যাই হোক, এরকম ঝাড়ু দেখানো কিন্তু ওই একটা এলাকার মধ্যে থেমে থাকবে না, এ বড় ছোঁয়াচে রোগ, তাই ঐ মহিলা বিধায়ক নাকি নিজের সঙ্গেও এক মহিলা ঝাড়ু বাহিনী রাখার পরিকল্পনা করছেন, মানে এপাশেও ঝাড়ু, ওপাশেও ঝাড়ু। আবার ভুল, কারণ এ জিনিস বাড়লে লাভ তৃণমূলের তাদের লোক আর ঝাড়ু দুইই প্রচুর আছে। আসলে ভোট আসছে এই আবহে একটা পার্সেপশন প্রায় গেঁড়ে বসছে মানুষের মনে, বিজেপি ক্ষমতায় আসছে না। এই বাংলাতে এটা এক সর্বনেশে ব্যাপার, কারণ বিভিন্ন দলের এক বড় অংশের ভোট কিন্তু এই ধারণাকেই গুরুত্ব দেন। ধরুন বিজেপির প্রার্থীপদের জন্য তাঁদের দপ্তরে ড্রপ বক্স রেখেছে, তৃণমূলও রেখেছে। কেউ ভাববেন না ওসব দেখে প্রার্থী বাছা হবে, ওটাও এক ধারণা তৈরি করার জন্যই, ধারণা ১) আমরা গণতান্ত্রিক। ২) কত মানুষ আমাদের দলের প্রার্থী হতে চায়। হ্যাঁ দ্বিতীয় ব্যাপারটা খুব জরুরি, আর সেখানে ডাহা ফেল করেছে বিজেপি। ২০২১ এ আবেদনপত্রে উপচে পড়ছিল বিজেপির ড্রপবক্স, শুনেছিলাম হাজার কুড়ি আবেদন এসেছে, এবারেও বিজেপি ড্রপ বক্স রেখেছেন, হ্যাঁ তাও দিন পাঁচেক তো হয়ে গেল, জানা গেল কয়েক শ আবেদন জমা পড়েছে। হ্যাঁ এটাই পার্সেপশন, ঝাড়ু দেখানোর লোক বেড়ে যাবার কারণ। আমরা আমাদের দর্শকদের জিজ্ঞেষ করেছিলাম, বিজেপি এবারেও ক্ষমতায় আসছেনা, এই ধারণাটা ছড়ানোর ফলেই কি রাস্তায়ঘাটে বিজেপি বিরোধিতা আরও বাড়ছে? শুনুন মানুষজন কী বলেছেন।

আরও পড়ুন: Aajke | স্বামী নরেনদরভাই দামোদরদাস মোদি

প্রচারে বের হওয়া রাজনৈতিক দলের প্রার্থীকে ঝাড়ু দেখানো, এলাকাতে ঢুকতেই না দেওয়া এগুলো কোনওভাবেই গণতান্ত্রিক রীতি পদ্ধতির সঙ্গে খাপ খায় না, কিন্তু দেশ জুড়ে এমন ঘটনা ঘটে, আর ঘটে তখনই যখন এক দল এক নিশ্চিত পরাজয়ের সামনে দাঁড়িয়ে থাকে। হ্যাঁ উইনার্স টেকস ইট অল, পরাজিত দুর্যোধনের জন্য পড়ে থাকে শূন্যতা, কৌরব নারীদের কান্না আর বিজয়ী পান্ডবপক্ষের চুড়ান্ত অবহেলা। পুরাণ থেকে ইতিহাস, কোথাও হেরোদের জন্য সহানূভুতি তো দেখিনি, চূড়ান্ত হার, পরাজয়, ডানকার্কের সি বিচে বিদ্ধ্বস্থ সৈনিকদের কোনওভাবে ফিরিয়ে আনাকে চার্চিল বলেছিলেন গ্লোরিয়াস রিট্রিট, গৌরবজনক পশ্চাদঅপসরণ।

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WATITOTO LGO188 xgo88 WDBOS toto togel slot poker slot gacor idn poker 88 slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ https://www.demeral.com/it/demeral_software/ nobu99 toto slot traveltoto toto slot slot gacor situs slot gacor situs togel situs toto slot gacor toto https://josephmellot.com/nos-vins/