কলকাতা: বুধবার অফিসের ব্যস্ত সময় মেট্রো বিভ্রাট (Kolkata Metro Service Disrupted)। এদিন সকালের অফিস টাইটে আচমকাই ব্লু লাইনে (Kolkata Metro Blue Line) দাঁড়িয়ে পড়ল একের পর এক মেট্রো। তাতেই পরিষেবা থমকে যায়। যার জেরে নাজেহাল হলে হয় মেট্রোর যাত্রীদের। যাত্রীদের অভিযোগ, দীর্ঘ ক্ষণ স্টেশনে এসেও মেট্রো পাননি। এর ফলে ভোগান্তির শিকার হতে হয় যাত্রীদের। অফিস টাইমে মেট্রোতে তিল ধারণের জায়গা থাকে না। তারপর পরিষেবা থমকে যাওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা যায়। সময় মতো গন্তব্যে পৌঁচ্ছানোর জন্য সকলকেই বিকল্প ব্যবস্থা করতে হয়।
সকাল সাড়ে ১১টার পর মেট্রো সমস্যার সম্মুখীন হন যাত্রীরা। বেলা ১২টা নাগাদ গিরিশ পার্ক স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা এক যাত্রী জানান, তিনি ১৫ মিনিট আগে স্টেশনে এসেছেন। কিন্তু তখনও পর্যন্ত কোনও মেট্রো আসেনি।কী কারণে বিভ্রাট, তা-ও ঘোষণা করা হয়নি মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে। কী কারণে এই বিভ্রাট? যাত্রীদের একাংশ জানান, কিছু ক্ষণ পরে স্টেশনে স্টেশনে ঘোষণা করা হয়, গিরিশ পার্কে সিগন্যাল সমস্যার কারণে মেট্রো দেরিতে ছাড়ছে।দমদম স্টেশন থেকে চাঁদনি চকে আসা এক যাত্রীর দাবি, দমদম স্টেশনে নির্ধারিত সময়ের থেকে অন্তত পাঁচ মিনিট পর ছাড়ে। তবে গোটা পথটাই থমকে থমকে এসেছে। সব স্টেশনে মিনিট কয়েক করে দাঁড়িয়েছিল মেট্রোটি।
আরও পড়ুন:নিরাপত্তা ইস্যুতে হাইকোর্টে শুভেন্দু, মামলা দায়েরের অনুমতি দিল আদালত?
যাত্রীদের একাংশের অভিযোগ, ব্লু লাইন পরিষেবায় প্রায়ই কোনও না কোনও কারণে গন্ডগোল হয়।একের পর এক বিভ্রাট দেখতে দেখতে যেন অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছেন নিত্যযাত্রীরা। কখনও যান্ত্রিক সমস্যা, আবার কখনও সিগন্যাল গোলযোগ, কখনও এসি ঠিক করে না চলার জন্য দম বন্ধ পরিস্থিতি। কলকাতা মেট্রোর ব্লু লাইনে হামেশাই আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটে। ব্লু লাইনের যাত্রীদের কাছে মেট্রোর সফরে পরিষেবা ব্যাহত হওয়াটা গা-সওয়া হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও পরিষেবা ব্যাহত হলে বেশির ভাগ সময় কর্তৃপক্ষের থেকে কোনও সঠিক তথ্যও পাওয়া যায় না। দায়সারা তথ্য দিয়ে বিষয় এড়িয়ে যায় কর্তৃপক্ষ।







