ওয়েবডেস্ক- উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য (Middle East) । বাড়ছে যুদ্ধের আঁচ। এই পরিস্থিতিতে ফের সামরিক অভিযানের হুঁশিয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (US President Donald Trump) । হোয়াইট হাউসে (White House) সাংবাদিক বৈঠকে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে ফের হুঙ্কার ট্রাম্পের। তৃতীয় দফার সামরিক অভিযানের এক জোরালো হুঁশিয়ারি।
ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েলের (Israel) যৌথ অভিযানে ইরানের নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী এবং রাডার ব্যবস্থা ইতিমধ্যে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি সতর্ক বলেন, সবকিছু প্রায় শেষ করে দেওয়া হয়েছে, এখন তৃতীয় দফার (3rd Wave) আঘাত আসছে। এই অভিযানের লক্ষ্য গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই অভিযানের (Operation Epic Fury) মূল লক্ষ্য হল, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ধ্বংস করা।
আরও পড়ুন- ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই?
ইরান-সমর্থিত আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সক্ষমতা কমিয়ে আনা। ট্রাম্পের দাবি, অভিযানটি প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। তিনি বলেন, “আমরা যাদের নজরে রেখেছিলাম, তাদের বেশিরভাগই এখন মৃত। সম্ভবত নতুন যারা এসেছে তারাও টিকবে না।” তবে তিনি এও স্পষ্ট করেছেন যে, ইরান যদি আলোচনায় না আসে, তবে এই যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে চলতে পারে। ট্রাম্প বলেন, ট্রাম্প সরাসরি ইরানের মাটিতে মার্কিন সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি।
তিনি বলেছেন, প্রয়োজন হলে তিনি স্থলপথের সাহায্য নেবেন, যদিও এখনই তার দরকার পড়ছে না বলে তিনি মনে করেন। পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে হোয়াইট হাউসের সফররত জার্মানির চ্যান্সেলর (রাষ্ট্রপ্রধান) ফ্রেডরিখ মার্জ- এর সাংবাদিক বৈঠক সারলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সেখানেই ইরান ও ইজরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতি সহ এই মন্তব্য করেন তিনি।
সোমবার কুয়েত ও সৌদি আরবের দুটি মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালায় ইরান। হামলার জেরে আগুন ধরে যায় দূতাবাসে। এই দুই ঘটনা পর প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, এর জবাব কিভাবে দিতে তা এবার দেখাব’। ইরান বাহরিন, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি-সহ রিয়াধে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালিয়ে পাল্টা জবাব দিয়েছে। খামেনেইয়ের মৃত্যুর প্রতিক্রিয়ায় হিজবুল্লাও এই যুদ্ধে শামিল হয়েছে ও ইজরায়েলের উপর হামলা শুরু করেছে।







