ওয়েব ডেস্ক: বুধবার রাজ্যের সাত জেলায় মোট ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ (Assembly Election 2026) অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়ে ভোট চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। ইতিমধ্যেই ভোটের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission), আর ভোটারদের জন্য জারি করা হয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা। সাধারণত ভোট দিতে গেলে ভোটার কার্ড এবং ভোটার স্লিপ (Voter Slip) সঙ্গে রাখা প্রয়োজন। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, এ বার ভোটার স্লিপ বিতরণের দায়িত্ব ছিল বিএলওদের। তাঁরা ইতিমধ্যেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের হাতে স্লিপ তুলে দিয়েছেন। সেই স্লিপ নিয়েই বুথে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ভোট না দিলেই কি নাম বাদ? কী বলছে কমিশনের নিয়ম? একনজরে জেনে নিন আসল তথ্য
ভোটার কার্ড ছাড়া আর কী নথি দেখিয়ে ভোট দেওয়া যাবে?
তবে ভোটার কার্ড না থাকলেও ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকছে। শর্ত একটাই, ভোটার তালিকায় নাম থাকতে হবে। এক্ষেত্রে পরিচয়পত্র হিসেবে ১২টি বিকল্প নথির যে কোনও একটি দেখালেই ভোট দেওয়া যাবে। এই নথিগুলির মধ্যে রয়েছে আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট, পেনশনের সচিত্র নথি, ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসের ছবি-সহ পাসবই, ১০০ দিনের কাজের জব কার্ড, কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারি কর্মীদের পরিচয়পত্র, শ্রম মন্ত্রকের স্মার্ট কার্ড, স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্পের স্মার্ট কার্ড, সাংসদ বা বিধায়কদের দেওয়া সরকারি পরিচয়পত্র এবং বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য কেন্দ্রের পরিচয়পত্র।
কী কী নিয়ে ভোট দেওয়া যাবে না?
নিরাপত্তার স্বার্থে বুথের ভিতরে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা আগের নির্বাচনের মতোই বহাল থাকছে। যদিও ভোটারদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বুথের বাইরে মোবাইল জমা রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে মোবাইল রেখে তবেই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। এ ছাড়াও, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বুথে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কর্তব্যরত নিরাপত্তারক্ষীরা প্রয়োজন মনে করলে স্মার্ট ডিভাইস, যেমন স্মার্ট ঘড়ি বা হেডফোন নিয়েও প্রবেশে বাধা দিতে পারেন। ফলে ঝামেলা এড়াতে ভোট দিতে যাওয়ার সময় এ ধরনের ইলেকট্রনিক সামগ্রী সঙ্গে না নেওয়াই শ্রেয়।
দেখুন আরও খবর:







