ওয়েব ডেস্ক : ছাব্বিশের নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের (TMC)। ২৯৩টি আসনের মধ্যে মাত্র ৮০ আসন পেয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। তবে অষ্টাদশ বিধানসভা গঠনের পর প্রথম বিধানসভা অধিবেশন হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও বালিগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে (Sovandeb Chattopadhyay) বিরোধী দলনেতার (Leader of the opposition) মর্যাদা দেওয়া হয়নি। তা নিয়ে স্পষ্ট জানতে এবার আরটিআই (RTI) করলেন তৃণমূল বিধায়ক। কেন তাঁকে এখনও এই মর্যাদা দেওয়া হয়নি তা জানতে চেয়েছেন তিনি।
শোভনদেব (Sovandeb Chattopadhyay) অভিযোগ করেছেন, গত ১৩ মে স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল তৃণমূলের তরফে। আর সেখানে তৃণমূলের পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে শোভনদেবের নাম জানানো হয়েছিল। কিন্তু তার পরেও কেন তাঁকে এখন বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষাণা করা হয়নি? এ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে তৃণমূলের তরফে।
আরও খবর : ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানকে অন্তর্বতী রক্ষাকবচ কলকাতা হাই কোর্টের
তৃণমূল সূত্রে খবর, স্পিকার না আসায় ওই চিঠিটি দেওয়া হয়েছিল বিধানসভা সচিব সমরেন্দ্রনাথ দাসকে। তবে এর পর কেটে গিয়েছে পাঁচ দিন। কিন্তু তা সত্বেও এখনও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে (Sovandeb Chattopadhyay) বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এ নিয়ে বিধানসভার সচিবালয় জানিয়েছে, শোভনদেবকে দেবকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়ার জন্য যে ৮০ জন বিধায়কের স্বাক্ষর করেছিল, সেই পত্রটি পাঠানো হোক।
প্রসঙ্গত, ২৯৪টি আসনের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলের মর্যাদা পেতে হলে প্রয়োজন ৩০ জন বিধায়কের। কিন্তু তৃণমূলের অভিযোগ, ৮০ জন বিধায়ক সত্বেও প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা। এ নিয়ে শোভনদেব (Sovandeb Chattopadhyay) বলেছেন, বিরোধী দলনেতা নিয়ে কোনও চিঠি আদান প্রদান হয় না। সচিবালয় থেকে বিষয়টি বিরোধী দলকে জানিয়ে দেওযা হয়। সঙ্গে জানিয়েছেন, আমি আরটিআই করতে বাধ্য হয়েছি। সঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন, ২০১১, ২০১৬ এবং ২০২১ সালে বিরোধী দলনেতার ক্ষেত্রে কি নিয়ম অনুসরণ করেছিল সচিবালয়? এদিকে, যে চিঠি দেওয়া হয়েছে সচিবালয়কে, সেখানে ফিরহাদ হাকিমকে মুখ্যসচেতক এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়-অসীমা পাত্রকে উপ-দলনেতা করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
দেখুন অন্য খবর :







