কলকাতা: ২৬ মে পর্যন্ত ফলতার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী জাহাঙ্গীর খানকে (Falta TMC Candidate Jahangir Khan) গ্রেফতার করা যাবে না। জাহাঙ্গির খানকে অন্তর্বতী রক্ষাকবচ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সোমবার হাইকোর্ট জানিয়ে দিল, ওই বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন শেষ না-হওয়া পর্যন্ত জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। তবে তাকে তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে। যদি দেখা যায় অত্যন্ত গুরুতর ক্রিমিনাল কেসের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে তা আদালতের নজরে আনতে হবে। নির্বাচন কমিশনের বিধিনিষেধ মানতে হবে, ভোটারদের প্রভাবিত করা চলবে না। কোন বিতর্কিত মন্তব্য নয়।
২৯ এপ্রিল ফলতায় দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হয়েছিল। কিন্তু ফলতার নির্বাচন বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। ২১ মে নতুন করে নির্বাচন ঘোষণা করা হয়। ২৪ মে নির্বাচনের ফলাফলে ঘোষণা করা হবে। ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ২৯৩ টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পরই একাধিক ফৌজদারি অপরাধের মামলা চাপানো হয় জাহাঙ্গীর খানের বিরুদ্ধে। মে মাসেই মোট পাঁচটা কেস তার বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে ফলতা থানায়। এর মধ্যে একটা মামলায় ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে অন্য একটা মামলায় তাকে রক্ষাকবচ দিয়েছে আদালত। রাজ্য পুলিশের আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী আদালতে জানান, এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে ৫ টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে।
রাজদীপ মজুমদার, কমিশনের আইনজীবী বলেন, ২ মে ২০২৬ নির্বাচন কমিশনের সেক্রেটারি জানান, বিধানসভা নির্বাচনে ফলতা কেন্দ্রে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। সেখানে বুথ ক্যাপচারিং, মেশিন ট্যাম্পারিং হয়েছে বলে জানানো হয় যার। এর মাস্টারমাইন্ড ছিলেন জাহাঙ্গীর খান। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচাৰ্য বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যাবস্থায় নির্বাচনে লড়াই করা গনতান্ত্রিক অধিকার। তবে এখানে যেহেতু এই ব্যাক্তির বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ রয়েছে তারজন্য একটা ব্যালেন্স করা প্রয়োজন। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর ৫ মে থেকেই অভিযোগ গুলো দায়ের হয়েছে। সাতদিনের মধ্যে জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে যে সমস্ত অভিযোগে ক্রিমিনাল প্রসিডিংস চলছে তার কপি দিতে হবে তাকে।







