ওয়েব ডেস্ক : শনিবার নিহত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে গিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সোনারপুর (Sonarpur) যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন তিনি। কামালগাজিতে প্রথমে তাঁকে উদ্দেশ্য করে কালো পতাকা দেখানো হয়। এর পর তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার পাশাপাশি ‘চোর’ স্লোগানও দেওয়া হয়। এমনকি তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।
তিনি বলেন, “আমি এই ঘটনার নিন্দা জানাই। সাধারণ মানুষের উদ্দেশে বলব, আইন যাতে হাতে না নেওয়া হয়। তৃণমূল কংগ্রেস, বিশেষ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ রয়েছে। ওরা যখন ক্ষমতায় ছিল যেভাবে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলতেন। যেভাবে বিজেপি নেতাদের সঙ্গে কথা বলতেন, যেভাবে আক্রমণ করা হয়েছে, আমার উপরেও হামলা করা হয়েছিল। জেপি নাড্ডার কনভয়ের উপর হামলা হয়েছিল। এই ধরণের ঘটনার জেরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। কিন্তু, সাধারণ মানুষকে বলব শান্তি বজায় রাখতে।” সঙ্গে বলেছেন, নির্বাচন প্রচারের সময় বিজেপি নেতা ও অমিত শাহকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন অভিষেক। কিন্তু এখন পরিবর্তন হয়েছে। সাধারণ মানুষের উদ্দেশে বলব, বাংলার রাজনীতিকে হিংসামুক্ত করতে হবে।
আরও খবর : সোনারপুরে অভিষেককে প্রকাশ্যে মার! ঘটনার নিন্দায় সরব INDIA জোট
এদিন এই ঘটনার পর নিহত কর্মীর বাড়িতে গিয়ে অভিষেক (Abhishek Banerjee) বলেছেন, ‘‘এই হল ডবল ইঞ্জিনের নমুনা। সবাই চেয়েছিল, ডবল ইঞ্জিন হোক। ওরা চায়, আমাদের মেরে ফেলতে। মারুক। আমার মৃতদেহ এখান থেকে বেরবে। আমার মাথাটা বেঁচে গেল শুধু হেলমেট ছিল বলে। পুলিশ কোথাও নেই। সব ঘটনার ভিডিও রেকর্ড রইল। পুলিশকে খবর দেওয়া হোক। আমি এখান থেকে বেরিয়ে যেতেই পারি।কিন্তু এই পরিবারের উপর হামলা হবে তারপর। আমি এখন এঁদের ছেড়ে যেতে পারব না। বাহিনী পাঠিয়ে আগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।”আক্রান্ত কর্মীর বাড়িতে ঢুকে অভিষেক বলেন, পুলিশ (Police) না এলে বেরবো না।
অবশ্য পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রহরায় এলাকা ছাড়েন অভিষেক। পাহারা দিয়ে দলীয় কর্মীর বাড়ি গলিপথ দিয়ে অভিষেককে গাড়ি পর্যন্ত নিয়ে যায় পুলিশ ও বাহিনী। সেখান থেকে রওনা দেন তিনি।
দেখুন অন্য খবর :







