ওয়েব ডেস্ক : বিহারের (Bihar) রাজধানী পাটনা (Patna)-র অন্যতম শিক্ষা কেন্দ্র মুসাল্লাহপুর হাট এলাকায় মঙ্গলবার ঘটে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। জনপ্রিয় শিক্ষক ফয়জল খান তথা খান স্যার (Khan Sir)-এর কোচিং সেন্টারের বাইরে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের এক নিরাপত্তারক্ষী গুরুতর জখম হন বলে খবর। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন খান স্যার।
পাটনার পুলিশ (Police) সুপার কার্তিকেয় কে শর্মা জানান, প্রাথমিকভাবে এটি হামলার ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। আহত নিরাপত্তারক্ষীর বক্তব্য এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের বয়ান সংগ্রহ করা হচ্ছে। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে খবর পেয়েই কোচিং সেন্টারে পৌঁছে যান খান স্যার। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং কম খরচে শিক্ষাদানের সাফল্য কিছু মহলের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “আমরা অল্প ফিতে পড়াশোনার সুযোগ দিচ্ছি। ভালো ফল করছি বলেই কিছু অসামাজিক শক্তি আতঙ্কিত। দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।”
আরও খবর : মাসিকের সময় ৩ দিনের ছুটি! মহিলাদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত কেরল সরকারের
খান স্যারের দাবি, হামলাকারীরা প্রথমে কোচিং সেন্টারের অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। তারপর তারা গুলি চালায়। ইতিমধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের (Police) হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর অভিযোগ, পাশের একটি প্রতিদ্বন্দ্বী কোচিং সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাই এই হামলার পিছনে থাকতে পারে। এমনকি অতীতেও তাঁর কোচিং সেন্টার উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও নিশ্চিত করেনি পুলিশ। তদন্তকারীরা সমস্ত তথ্য ও প্রমাণ খতিয়ে দেখছেন। শহরের এসপি, এসএসপি-সহ একাধিক পুলিশ আধিকারিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ সুপার কার্তিকেয় কে শর্মা বলেন, “সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করার কাজ চলছে। ঘটনার সঙ্গে যে বা যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এই ঘটনায় পাটনার শিক্ষা মহলে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জনপ্রিয় শিক্ষক খান স্যারের প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ ছড়িয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামলার প্রকৃত কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও, দ্রুত দোষীদের গ্রেফতারের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।
দেখুন অন্য খবর :







