ওয়েব ডেস্ক : বাজারে চিনি (Sugar)-সহ একাধিক নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম বৃদ্ধির অভিযোগ ঘিরে তৎপর প্রশাসন। সোমবার হাওড়ার (Howrah) কদমতলা এবং উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট (Basirhat) মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালান প্রশাসনিক আধিকারিকরা। গুদামে মজুত পণ্য, বিক্রির দাম এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র খতিয়ে দেখা হয়। বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি বা কোনও অনিয়ম হচ্ছে কি না, তা যাচাই করতেই এই অভিযান বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।
মধ্য হাওড়ার কদমতলায় (Kadamtala) ডিস্ট্রিক্ট এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ এবং পুলিশের আধিকারিকরা যৌথভাবে একটি চিনির গোডাউনে অভিযান চালান। সেখানে মজুত চিনির পরিমাণ, কেনাবেচার হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। বর্তমানে চিনির মান অনুযায়ী খোলা বাজারে কেজি প্রতি প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গোডাউন কর্তৃপক্ষের দাবি, তাঁরা কেজি প্রতি প্রায় ৬৩ টাকা দরে চিনি কিনছেন এবং বস্তা পিছু ৩০ থেকে ৩৫ টাকা লাভে বিক্রি করছেন।
আরও খবর : বঙ্গোপসাগরে ফের নিম্নচাপ, বৃষ্টিতে ভিজবে বাংলা! উত্তর-দক্ষিণে সতর্কতা
এরপর কদমতলা সবজি বাজারেও পৌঁছন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। বিভিন্ন সবজির বাজারদর যাচাই করার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। ওজনে কারচুপি না করার জন্যও বিক্রেতাদের সতর্ক করা হয়। ইনস্পেক্টর শ্রাবণী রায় জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম যাতে অস্বাভাবিকভাবে না বাড়ে, তা নিশ্চিত করতেই নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে।
অন্যদিকে, বসিরহাট (Basirhat) মহকুমার মাটিয়া থানার স্বরূপনগর বাজারে লোকনাথ অয়েল মিলের গোডাউনেও অভিযান চালানো হয়। প্রথমে চিনির গুদামে মজুতের পরিমাণ, লাইসেন্স এবং অন্যান্য নথি খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা। পরে সর্ষের তেলের গোডাউনে গিয়ে মজুত, গুণগত মান, লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। অভিযানে ছিলেন বাদুড়িয়ার এসডিপিও, মাটিয়া থানার আইসি-সহ অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকরা।
হাওড়া সিটি পুলিশের ডিসি সেন্ট্রাল তৌসিফ আলি আজহার জানান, চিনির সরবরাহ কম থাকার কারণেই দাম বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা দিয়েছে। তবে কোথাও কোনও অনিয়ম হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে। বাজারদর নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগামী দিনেও বিভিন্ন বাজার ও গুদামে প্রশাসনের নজরদারি এবং অভিযান চলবে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।







