Monday, May 25, 2026
HomeScrollসমুদ্রে বাড়ছে জলের পরিমাণ, ২১০০-র আগে ঝুঁকিতে কলকাতা-সহ একাধিক শহর
Climate Change

সমুদ্রে বাড়ছে জলের পরিমাণ, ২১০০-র আগে ঝুঁকিতে কলকাতা-সহ একাধিক শহর

আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা

ওয়েব ডেস্ক: দ্রুত বদলাচ্ছে পৃথিবীর জলবায়ু (Climate Change), আর তার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতায়। গবেষকদের আশঙ্কা, এই শতাব্দীর শেষের আগেই বিশ্বের বহু উপকূলীয় শহর ও দ্বীপরাষ্ট্র আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে জলের তলায় চলে যেতে পারে। সেই তালিকায় রয়েছে কলকাতাও (Kolkata)।

ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (NOAA)-এর তথ্য অনুযায়ী, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। ফলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে নিচু দ্বীপ রাষ্ট্রগুলি। মালদ্বীপের রাজধানী মালে, টুভালু, কিরিবাতি এবং মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, এই দেশগুলির অস্তিত্বই সংকটে। ইতিমধ্যেই টুভালুর বাসিন্দাদের পুনর্বাসনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: ২০-র বেশি দেশে ছড়াচ্ছে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট! কী কী উপসর্গ? কতটা বিপদে ভারত? দেখুন বড় খবর

বাংলাদেশও বড় ঝুঁকির মুখে। আশঙ্কা, দেশের প্রায় ১৭ শতাংশ এলাকা জলের তলায় চলে যেতে পারে, যার ফলে কোটি কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারেন। রাজধানী ঢাকাও ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে।

ইউরোপে নেদারল্যান্ডসের বড় অংশ সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে হওয়ায় বিপদের আশঙ্কা বাড়ছে। ইতালির ঐতিহাসিক শহর ভেনিস ধীরে ধীরে তলিয়ে যাচ্ছে। আমেরিকার মায়ামি শহরও আগামী কয়েক দশকের মধ্যে জোয়ারের সময় নিয়মিত জলমগ্ন হতে পারে।

এশিয়ায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। চিনের সাংহাইয়ের মতো বড় শহরগুলি ভূমি ধস ও জলস্তর বৃদ্ধির যুগপৎ চাপে রয়েছে। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককও ক্রমশ বসে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে বড় বিপর্যয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ভারতের ক্ষেত্রেও সতর্কবার্তা স্পষ্ট। নাসার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, দেশের ১২টি উপকূলীয় শহর ঝুঁকিতে, কলকাতার খিদিরপুর এলাকা তার মধ্যে অন্যতম। এছাড়া মুম্বই, চেন্নাই, বিশাখাপত্তনম, কোচিন, পারাদ্বীপ-সহ একাধিক বন্দর শহরও তালিকায় রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্ব উষ্ণায়নের জেরে হিমবাহ গলন ও সমুদ্রের তাপীয় প্রসারণ, এই দুই প্রধান কারণেই জলস্তর বাড়ছে। আশঙ্কা, আগে যেখানে ১০০ বছরে যে পরিবর্তন দেখা যেত, ভবিষ্যতে তা ৬-৯ বছরের মধ্যেই ঘটতে পারে।

তাই এখনই ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমানো, নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে ঝোঁকা এবং পরিবেশ সচেতনতা বাড়ানো, এই পদক্ষেপগুলিই ভবিষ্যতের বিপর্যয় ঠেকাতে একমাত্র ভরসা বলে মনে করছেন গবেষকরা।

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ traveltoto toto slot situs toto slot gacor BWO99 poker idn poker situs slot gacor toto slot MySlot188 toto slot toto SlotPoker188 situs toto istanaslot istanaslot sohibslot tikus4d https://tikus4dlink.com situs slot gacor PAKDE4D