HomeScrollরাশিয়া থেকে তেল কিনলেই ১০০% শুল্ক! ভারতের উপর কি এবার বড় চাপ...
Russia Oil Tariff

রাশিয়া থেকে তেল কিনলেই ১০০% শুল্ক! ভারতের উপর কি এবার বড় চাপ আমেরিকার?

রাশিয়ার জ্বালানি কেনা দেশগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে আমেরিকা, সেনেটে বিল পাস হলেও ভারতের ক্ষেত্রে এখনই কার্যকর হচ্ছে না ১০০ শতাংশ শুল্ক

ওয়েব ডেস্ক : রাশিয়ার (Russia) কাছ থেকে তেল ও গ্যাস কেনা দেশগুলির উপর আরও চাপ বাড়ানোর পথে এগোল আমেরিকা (America)। শুক্রবার, ৭ অগস্ট মার্কিন সেনেটে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল ৮৬-১১ ভোটে পাস হয়েছে। প্রস্তাবটি আইনে পরিণত হলে রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি কেনা নির্দিষ্ট দেশগুলির পণ্যে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত শুল্ক বসানোর ক্ষমতা পেতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। এই তালিকায় ভারত ও চিনের পাশাপাশি আজারবাইজান, হাঙ্গেরি এবং স্লোভাকিয়ার নামও রয়েছে।

এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য রাশিয়ার জ্বালানি বিক্রি থেকে পাওয়া রাজস্ব কমানো। আমেরিকার যুক্তি, বিভিন্ন দেশ রাশিয়ার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ তেল কিনলে মস্কোর হাতে অর্থ পৌঁছয়, যা ইউক্রেন যুদ্ধের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হতে পারে। বিলটি ‘Lindsey O Graham Sanctioning Russia and Iran Act of 2026’ নামে পরিচিত হয়েছে। পাশাপাশি ইরানের ক্ষেত্রেও চাপ বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং Iran Sanctions Act-এর মেয়াদ ২০৩১ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে।

আরও খবর : স্কুলে হামলার আগে দাদু-ঠাকুরমাকে খুন! থাইল্যান্ডে নাবালকের তাণ্ডব

ভারতের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ রুশ তেল কেনা নিয়ে নয়াদিল্লি আগেই মার্কিন শুল্কের চাপের মুখে রয়েছে। ২০২৫ সালের অগস্টে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কেনার কারণে ভারতীয় পণ্যের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছিল আমেরিকা। কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে মোট শুল্কের হার ৫০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছয়। তারপরও তুলনামূলক কম দামে পাওয়া রুশ অপরিশোধিত তেল কেনা পুরোপুরি বন্ধ করেনি ভারত (India)। ২০২৬ সালেও রুশ তেল আমদানি শক্তিশালী ছিল এবং জুনে আমদানিতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যায়। ফলে নতুন প্রস্তাব কার্যকর হলে ভারতীয় রফতানিকারক এবং ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যের উপর নতুন চাপ তৈরি হতে পারে।

তবে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হচ্ছে না। সেনেটের পর বিলটি মার্কিন হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে যাবে। হাউসের অনুমোদনের পর প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি মার্কিন আইনপ্রণেতাদের একাংশও ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কের মতো ব্যাপক ক্ষমতা প্রেসিডেন্টকে দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। ফলে শেষ পর্যন্ত বিলের কী রূপ দাঁড়ায় এবং ভারতের মতো দেশগুলির জন্য কোনও ছাড় রাখা হয় কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News