ওয়েব ডেস্ক : তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বাড়িতে সিআইডি (CID)! এদিন প্রথমে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিক গিয়েছিলেন হরিশ মুখার্জি রোডের বাড়ি ‘শান্তিনিকেতনে’। কিন্তু সেখানে ছিলেন না তৃণমূল সাংসদ। এর পরে অভিষেক জানিয়েছিলেন, তিনি শান্তিনিকেতনে থাকেন না। তাঁর সঙ্গে দেখা করতে হলে আসতে হবে কালীঘাটের বাড়িতে। এর কিছুক্ষণ সেখানেও পৌঁছে যান সিআইডি আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে সোমবার ভবানীভবনে তলব করা হয়েছে। এদিকে অভিষেকের পর বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) বাড়ি গিয়েও সিআইডি নোটিস দিয়েছে বলে খবর। এ নিয়ে অভিষেক ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, তাঁকে ধমক-চমক দিয়ে দমানো যাবে না।
সিআইডির নোটিস নেওয়ার পর অভিষেক (Abhishek Banerjee) বলেন, “ওঁরা একটা নোটিস নিয়ে এসেছে। আমি তা রিসিভ করেছি। আমি নোটিস পড়িনি এখনও। যেহেতু ওরা অনেক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছে আমি রিসিভ করে ছেড়ে দিয়েছি। আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেব। আমাকে কোনও সহযোগিতায় দরকার পড়ে, ডাকলে আমি যাব।” এসবের পিছনে রাজনৈতিক স্বার্থ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। সঙ্গে বলেছেন, “ক্ষমতার অপব্যবহার করা হচ্ছে। যারা এটা করে, তারা বেশি দিন ক্ষমতায় টেকে না। অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। এ ভাবে আমার মাথা নত করা যা”
আরও খবর : তৃণমূলকে ভালো করার দায়িত্ব নিল আরএসএস? ঘাসফুল কর্মীদের দলে টানতে নতুন কৌশল সংঘের?
কলকাতার পুরসভার (KMC) নোটিস নিয়ে অভিযেক বলেছেন, “পুরসভার নোটিসের রিপ্লাই আমি ইতিমধ্যেই দিয়েছি। গতকাল হাইকোর্টে মুভ করেছি আমরা। কোর্টে মামলা হয়েছে। যদি কেউ ভাবে ডেকে, ভয় দেখিয়ে, চমকে, জবরদস্তি মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে, জেলে ঢুকিয়ে মাথানত করাবে। আমরা ওই ধাতুতে তৈরি নই।” ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ আরও বলেছেন, ‘‘ইডি-সিবিআইয়ের সামনেও মাথা নত করিনি। এদের ১০ পুরুষও যদি চায় আমাকে সিআইডি দিয়ে, কেএমসি দিয়ে, ইডি দিয়ে, বাড়ি ভেঙে— যা ইচ্ছা করে নিক। আমি দমার ছেলে নই। দিল্লির কাছে মাথা নত করার আগে আমার মৃত্যু ভাল।’’
এর পাশাপাশি নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) আক্রমণ করেছেন তিনি। বলেছেন, ‘‘অমিত শাহের পদলেহন করে বিজেপিতে যোগ দিয়ে মাথায় দু’তিনটি ইডি-সিবিআই কেস নিয়ে এখন অনেকে বড় বড় ভাষণ দিচ্ছেন।” সঙ্গে বলেছেন, এর আগে কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে হাত বাড়িয়ে টাকা নিতে দেখা যায়নি। তারা আবার আমাদেরকে চোর বলে।
শনিবার অভিষেকের পর কুণালকেও এই সংক্রান্ত নোটিস দেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ‘‘আইন মেনে যা করার করব। তবে সই জাল কাণ্ডে আগে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে জিজ্ঞেস করা উচিত ছিল আগে। বিরোধী দলনেতা হওয়ার জন্য যে সংখ্যক বিধায়ক প্রয়োজন, তৃণমূলের তার চেয়ে বেশিই আছে।”
দেখুন অন্য খবর :







