ওয়েব ডেস্ক : রাজ্যে চলছে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া। শেষ হয়েছে এনামুরেশন ফর্মের কাজ। এর পরেই লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির নামে সাধারণ মানুষকে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। আর সেই শুনানিকে কেন্দ্র করে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিধানসভা কেন্দ্র ৭০ নম্বর ওয়ার্ডে সেন্ট জন্স ডাইসেসন গার্লস হাই স্কুলে এসআইআর হিয়ারিং (SIR Hearing) নিয়ে অভিযোগ উঠল। অভিযোগ, শুনানিতে নথিপত্র জমা দিলেও সাধারণ মানুষকে কোনওরকম রশিদ দেওয়া হচ্ছে না। এ নিয়ে শনিবার প্রতিবাদ জানালেন ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অসীম বসু (Ashim Kumar Bose)।
অসীম বসু অভিযোগ করেছেন, যেহুতু ভবানীপুর বিধানসভা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নির্বাচনী কেন্দ্র। তাই চক্রান্ত করে মানুষের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের কাছে নথিপত্র গ্রহণ করার পর কোন রকম রশিদ দেওয়া হচ্ছে না। অথচ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছে, নথিপত্রের গ্রহণ করার পর সংশ্লিষ্ট ভোটারদের তার রশিদ দিতে হবে। তার পরেও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ভোটার দের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত চলছে।
আরও খবর :
এ নিয়ে শনিবার ওই শুনানি কেন্দ্রে গিয়ে প্রতিবাদ জানান অসীম বসু (Ashim Kumar Bose)। জানা যাচ্ছে, এর পরেই বিএলওদের পক্ষ থেকে কি কি ডকুমেন্টস গ্রহণ করা হয়েছে, সেটা লিখে দিয়ে স্ট্যাম্প মেরে দিচ্ছেন নির্বাচনী আধিকারিক। এদিন ভবানীপুর কেন্দ্রের এসআইআর (SIR) শুনানি প্রক্রিয়া অংশগ্রহণ করার আগত সাধারণ মানুষকে স্থানীয় কাউন্সিলরের পরিষ্কার বার্তা, যদি নির্বাচনী আধিকারিক লিখিত না দেয়, তাহলে ফর্ম জমা দেবেন না। নাহলে তাদের কাছে কোনো প্রমাণ না থাকলে তাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এদিন সাধারণ মানুষের অভিযোগ, তাদেরকে তিন দিন ধরে ডেকে নিয়ে হয়রানি শিকার হতে হচ্ছে। অথচ নিজেদের কাজকর্ম ছেড়ে তারা শুনানি পর্ব আসছেন। কাউন্সিলরের প্রতিবাদের পর শেষমেশ কি কি নথিপত্র গ্রহণ করা হচ্ছে তার লিখিত সই এবং স্ট্যাম্প করতে বাধ্য হয় নির্বাচনী আধিকারিক।
দেখুন অন্য খবর :







