Wednesday, May 13, 2026
HomeScrollইডির তদন্ত করার কোনও মৌলিক অধিকার নেই : আইপ্যাক মামলায় সওয়াল সিঙ্ঘভির
I-PAC Case

ইডির তদন্ত করার কোনও মৌলিক অধিকার নেই : আইপ্যাক মামলায় সওয়াল সিঙ্ঘভির

নজর ঘোরাতে চাইছে রাজ্য, আদালতে দাবি কেন্দ্রের

নয়াদিল্লি: সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) বুধবার আইপ্যাক মামলার (I-PAC Case) শুনানি শুরু হল। রাজ্য পুলিশের তৎকালীন ডিজির হয়ে সওয়াল করছেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। মনু সিংভি আদালতে বলেন, যা সরাসরি করা যায় না, তা পরোক্ষভাবেও করা যায় না। ইডি অফিসারের আবেদনটি মূল্যহীন। ইডির তদন্ত করার কোনও মৌলিক অধিকার নেই। আইন অনুযায়ী কর্তব্য পালনকারী একজন ব্যক্তি হিসেবে থাকা ছাড়া তার কোনও অস্তিত্ব বা পরিচয় নেই। তিনি কেবল তার আইনগত দায়িত্ব পালনকারী একজন ব্যক্তি হিসেবেই কাজ করছেন। ইডির শুধু আইনের দেওয়া ক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু অধিকার নয়। বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ নীতিটি কি প্রশাসনিক আইনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, নাকি এটি মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?

সিঙ্ঘভির সওয়াল, ‘‘তদন্তের সময় একজন ইডি অফিসার হিসাবে তিনি এমন কোনও আলাদা অধিকার দাবি করতে পারেন না, যা তাঁর দফতরের নিজেরই নেই। ইডি নিজে রাষ্ট্রের শক্তিশালী সংস্থা। তাই ইডি বলতে পারে না, তার রাষ্ট্রের সুরক্ষা চাই। ইডির মতো সংস্থা কোনও মৌলিক অধিকারের ভিত্তিতে আদালতের কাছে সিবিআই তদন্তের অনুরোধ করলে এবং আদালত তাতে অনুমতি দিলে সেটা অত্যন্ত অবাস্তব বিষয় হবে।এটা উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।ইডি ১৪ নং ধারাও উল্লেখ করেছে। এতে বিভাগ বা আধিকারিক কারোরই স্বেচ্ছাচারিতা ও বৈষম্যের প্রশ্ন ওঠে না। মনু সিংভি আরও বলেন, ইডি অফিসাররা শুধু নিজের দফতরের হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে তাঁদের বিরুদ্ধে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪, ২১ এবং ২২ কোনওটি লঙ্ঘন হয় না।

আরও পড়ুন: ‘বাংলায় বাঘের মতো লড়ছেন মমতা’, বললেন উদ্ধব ঠাকরে

মনু সিংভি আরও বলেন, একটি ফৌজদারি তদন্তে ‘প্যারেন্স প্যাট্রিয়ে’ (Parens Patriae) ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। এটি কেবল তখনই প্রযোজ্য হবে যখন ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ এগিয়ে আসবে। ইডি নিজেই একটি ‘প্যারেন্স প্যাট্রিয়ে’। ‘প্যারেন্স প্যাট্রিয়ে’ হলো ইডি-র শেষ আশ্রয়স্থল। তারাই হলো এখানে সরবেসরবা।ইডি-র মতো একটি কর্তৃপক্ষের সিবিআই-কে তদন্ত করতে বলার মৌলিক অধিকার কোথায়? এটা খুবই অবাস্তব একটি যুক্তি।আমরা সেদিন আলোচনা করছিলাম কীভাবে সংবেদনশীল মানুষেরা ৫ সপ্তাহের জন্য ডিজিটাল গ্রেপ্তারের অধীনে রয়েছেন।৯০ শতাংশ ক্ষেত্রেই এটি ফোনকারীর আতঙ্ক, যা কেবল একটি কর্তৃপক্ষকে (ইডি-কে উল্লেখ করে) উদ্ধৃত করে।মামলাটি গ্রহণযোগ্য হওয়া উচিত নয় বলে সওয়াল করেন আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী। তাঁর বক্তব্য, ‘‘১৯৪৮ সালে সংবিধান প্রণয়ন সভার বিতর্ক দিয়ে সওয়াল শুরু করতে চাই।

কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার সওয়াল, ‘‘এটা থেকে স্পষ্ট যে ঘটনাটি তাদের পক্ষে যাচ্ছে না। তাই অতীতের বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে মামলা খারিজ করতে চাইছে। তারা ওই দিনের ঘটনাটি নিয়ে কিছু বলছেন না। তিনি বলেন, এটা স্থানীয় পুলিশ।মনু সিংভি: আমরা খবরের কাগজ পড়ি। বিচারপতি বলেন, একাধিক অভিভাবক থাকতে পারেন (প্যারেন্স প্যাট্রিয়ে-এর উল্লেখ করে)। মেনকা গুরুস্বামী মমতা ব্যানার্জীর পক্ষে। এএসজি এসভি রাজু শ্রী শিবাল ইতিমধ্যে আর ২-এর প্রতিনিধিত্ব করেছেন। মেনকা গুরুস্বামী: সুপ্রিম কোর্টের নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তির পক্ষে দুজন আইনজীবী উপস্থিত হতে পারেন। বিচারপতি :-নিয়মগুলো দেখি। মেনকা সওয়াল করে বলেন, ‘‘সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদ নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য। ইডি অফিসারেরা যদি অফিসার হিসেবে ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদ ব্যবহার করেন, তা হলে সরকার নিজেই নিজের বিরুদ্ধে এই ধারা ব্যবহার করছে। এর ফলে ওই অনুচ্ছেদের আসল উদ্দেশ্য নষ্ট হবে। নাগরিকদের জন্য এই অধিকার দুর্বল হয়ে যাবে। মেনকা গুরুস্বামী: একজন ব্যক্তি বা নাগরিক মৌলিক অধিকারের অধিকারী। একজন নাগরিকই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তাঁর মৌলিক অধিকার প্রয়োগ করেন।

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ traveltoto toto slot situs toto slot gacor https://todayinnewsfocus.com/ BWO99 poker idn poker situs slot gacor idn poker toto slot MySlot188 toto slot toto SlotPoker188 situs toto