নয়াদিল্লি: শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বচ্ছতা এবং শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যাকে সামনে রেখে শনিবার দিল্লির যন্তরমন্তরে বিক্ষোভে সামিল হল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)। কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন সংগঠনের মুখ অভিজিৎ দীপকে (Abhijit Dipke)। বিক্ষোভ মঞ্চ থেকে কেন্দ্রীয় সরকার এবং শিক্ষানীতির বিভিন্ন দিক নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।
অভিজিৎ দীপকের বক্তব্য, “দেশের যুব প্রজন্ম আর ভয় পাচ্ছে না। প্রায় এক মাস ধরে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু সেই দাবি শোনার বদলে আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট মুছে দেওয়া ও নানা বাধা তৈরি করা হচ্ছে।”
আরও পড়ুন: আজ যন্তর মন্তরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সমাবেশ
তিনি আরও বলেন, “আর কতদিন হিন্দু-মুসলিমের রাজনীতি করা হবে? পোস্ট মুছে ফেলা যেতে পারে, কিন্তু যুবসমাজের কণ্ঠস্বর মুছে ফেলা যাবে না।”
সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি সামনে আনা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে,
- কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফ।
- শিক্ষা ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজেশন।
- মণিপুরে স্বাভাবিক শিক্ষাব্যবস্থা পুনরুদ্ধার।
- শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে বিশেষ উদ্যোগ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা
দিল্লি পুলিশ এই কর্মসূচির অনুমতি দেয় এবং যন্তরমন্তর এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করা হয়। বিক্ষোভ যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, সে জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল।
এদিকে, নিজেদের অরাজনৈতিক সংগঠন বলে দাবি করলেও কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের উপস্থিতি নজর কেড়েছে। উপস্থিতদের মধ্যে AISA ও SFI-সহ কয়েকটি বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের কর্মীদের দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকও কর্মসূচিতে যোগ দেন। কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরও এই আন্দোলনের প্রতি নৈতিক সমর্থন জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
তবে কর্মসূচিতে কোন রাজনৈতিক দলের কতজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন বা তাদের ভূমিকা কী ছিল, সে বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।







