নয়াদিল্লি: গত বাজেটে বিহার পেয়েছি। আর ভোটমুখী বাংলা বাজেটে (Union Budget 2026) কী পাবে তার দিকে নজর ছিল। দিনের শেষে বাংলা পাচ্ছে হাইস্পিড রেল করিডর, ফ্রেট করিডর, ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডর। রবিবারের বাজেটে দেশ জুড়ে সাতটি হাইস্পিড রেল করিডর তৈরির ঘোষণা করলেন দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman)। বাজেটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ডানকুনি থেকে সুরাত-আরেকটি ফ্রেট করিডর হবে। বারাণসী থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত হাই স্পিড রেল করিডর। মুম্বই-পুণে, পুণে-হায়দরাবাদ, হায়দরাবাদ-বেঙ্গালুরু। হায়দরাবাদ-চেন্নাই, দিল্লি-বারাণসী, বারাণসী-শিলিগুড়ি হাই স্পিড রেল করিডর। মুম্বই থেকে চেন্নাই, দিল্লি থেকে শিলিগুড়ি-৭টি হাই স্পিড রেল করিডর’, হাইস্পিড ট্রেনে দিল্লির সঙ্গে জুড়ছে শিলিগুড়ি। নর্থ ইস্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডরের সঙ্গে যুক্ত হবে দুর্গাপুর।
হাইস্পিড রেল করিডরের মধ্যে একটি হল বারাণসী থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত। শিলিগুড়ির চিকেন নেক গোটা দেশের নিরাপত্তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তার উপরে সামনেই নির্বাচন, সেই আবহে এই ঘোষণা তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।অন্য একটি ঘোষণা হচ্ছে ডানকুনি থেকে গুজরাতের সুরাত পর্যন্ত ফ্রেট করিডর। ফ্রেট করিডরের মাধ্যমে রেলপথে দ্রুত পণ্য পৌঁছনো যাবে গন্তব্যে, যা শিল্পে গতি আনবে বলে মনে করা হচ্ছে। রাজ্যের দুর্গাপুরকে সংযুক্ত করবে ইস্ট কোস্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডর।
আরও পড়ুন: বাজেট ২০২৬, বাংলা কী কী পেল?
এছাড়াও, ‘২২টি নতুন জলপথের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকা। পারাদ্বীপ থেকে কলিঙ্গনগর পর্যন্ত আরেকটি ফ্রেট করিডর। কন্টেনার তৈরির জন্য আরও ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ। ছোট শহরের পরিকাঠামো উন্নয়নে ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ। ৫ লক্ষের বেশি লোক থাকে, এমন ছোট শহরে বিশেষ নজর’। এছাড়াও পর্যটন উন্নত করতে, ‘উত্তরাখণ্ড, জম্মু-কাশ্মীরে মাউন্টেন ট্রেন। অন্ধ্রপ্রদেশ-তামিলনাড়ু সীমানায় পুলিকট হ্রদে বার্ড ওয়াচিং ট্রেন’- এর কথা ঘোষণা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর।
২০২৬ সালের বাজেটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতের রেল ও লজিস্টিক্স পরিকাঠামো আধুনিক করার লক্ষ্যে বড় ঘোষণা করেছেন। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী সাতটি হাই-স্পিড রেল করিডর এবং নতুন একটি ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর তৈরির কথা জানিয়েছেন। ভাষণে সীতারামন বলেছেন, হাই-স্পিড করিডরগুলি দেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক, শিল্প ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলিকে যুক্ত করবে। এতে যাত্রার সময় কমবে। যাতায়াতে হবে দ্রুত। লজিস্টিক্স দক্ষতা বাড়বে এবং ভারসাম্যপূর্ণ আঞ্চলিক উন্নয়ন হবে।’এই করিডরগুলি ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের মধ্যে যোগাযোগ আরও মজবুত করবে। একই সঙ্গে প্রযুক্তি হাব, উৎপাদন কেন্দ্র এবং বড় জনবসতি অঞ্চলগুলিকে যুক্ত হবে। এতে ফলে ব্যবসা, শিল্প ও সাধারণ মানুষের চলাচলে সুবিধা মিলবে।







