HomeScroll‘বিকশিত ভারত’-এর স্বপ্ন পূরণে ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’ গড়ার ডাক মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
Suvendu Adhikari

‘বিকশিত ভারত’-এর স্বপ্ন পূরণে ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’ গড়ার ডাক মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

রেড রোডে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও আইনশৃঙ্খলার পাশাপাশি রাজনৈতিক বিভাজন ভুলে একসঙ্গে কাজের বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

ওয়েব ডেস্ক : ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার যে লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) নিয়েছেন, তার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নকেও জুড়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার রেড রোডে ৮০তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে পশ্চিমবঙ্গকেও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে হবে। রাজনৈতিক সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে এই কাজে রাজ্যের সকলকে অংশ নেওয়ার আবেদন জানান তিনি।

এ দিন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বার রেড রোডের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তিতে মাল্যদানের পর জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন তিনি। ‘বন্দে মাতরম্’ এবং জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের পর ১৪ জন আইপিএস আধিকারিককে মুখ্যমন্ত্রী পদক দেওয়া হয়। এরপর কুচকাওয়াজ ও ট্যাবলো প্রদর্শনী শেষে বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরও খবর : গ্যাসের ই-কেওয়াইসির মেয়াদ বাড়ল, ২৩ অগস্ট পর্যন্ত মিলল সময়

রাজ্যের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা বলতে গিয়ে কর্মসংস্থান, নারীর ক্ষমতায়ন, সুরক্ষা ও আইনশৃঙ্খলার উপর গুরুত্ব দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে রাজ্যের সমস্ত ভৌগোলিক অঞ্চলে উন্নয়ন পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য। পাহাড় থেকে সাগর, জঙ্গলমহল থেকে তরাই-ডুয়ার্স—কোনও অঞ্চলকেই উন্নয়নের বাইরে রাখা হবে না বলে জানান তিনি।

পশ্চিমবঙ্গের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসও নিজের বক্তব্যে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, ঋষি অরবিন্দ, ক্ষুদিরাম বসুর পাশাপাশি মাতঙ্গিনী হাজরা ও বীণা দাসের অবদানের কথা স্মরণ করেন তিনি। তাঁর কথায়, এই ঐতিহ্যকে সামনে রেখেই রাজনৈতিক বিভাজন দূরে সরিয়ে রাজ্যকে ‘ভারতসেরা’ করার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে। এ দিনের অনুষ্ঠানে প্যারেডে প্রথম বার কম্যান্ডারের পাশাপাশি সহকারীও ছিলেন। কুচকাওয়াজের পর ১২টি ট্যাবলো প্রদর্শিত হয়। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ট্যাবলোর পাশাপাশি কন্যারত্ন, অন্নপূর্ণা যোজনা, আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির, দুর্গাশক্তি বাহিনী, কলকাতা পুলিশ এবং কলকাতা পুরসভার ট্যাবলোও ছিল।

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News