কলকাতা: অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) ফর্ম প্রকাশ হয়েছে বুধবারই৷ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিলআপের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ফর্ম দেখে রীতিমতো ঘাবড়ে যাচ্ছেন সাধারণ উপভোক্তারা। ফর্মের প্রথম পাতাতে জানতে চাওয়া হয়েছে পরিবার সংক্রান্ত একাধিক তথ্য। পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের বিস্তারিত তথ্য, একেবারে খুঁটিনাটি বিষয় জানাতে হবে আবেদনকারীকে। জানাতে হবে তাঁর পরিবারে কত জন সদস্য, সদস্যরা কী করেন, তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ডিটেলস, ভোটার তালিকার ডিটেলস, রেশন কার্ডের ডিটেলস, তাঁদের স্বাস্থ্য বিমা, আয়-পেশা ইত্যাদি একাধিক বিষয়। এটা দেখেই বিরোধীরা ফর্ম অত্যন্ত জটিল বলে অভিযোগ শুরু করে দিয়েছে। তাঁদের দাবি, সরকার টাকা দিতে চায় না। তাই ফর্ম এত জটিল করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের আজ স্পষ্ট উত্তর দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তাঁর মতে, এখন সবে শুরু হয়েছে এই প্রকল্প। ধীরে ধীরে সব সরলীকরণ হবে।
দিলীপ বলেন, ‘সবই সরলীকরণ হবে। শুরু করেছে একটা ভেবে। ওরকম নয় যে যাকে ইচ্ছে দিয়ে দিল… বাংলাদেশিরা অর্ধেক লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে চলে গেল। এটা চলবে না। ভ্যারিফিকেশন চলছে। সরলীকরণ হবে ধীরে ধীরে।’জিএসটি-এর কথাও তোলেন রাজ্য বিজেপির অন্যতম প্রধান মুখ। তাঁর মতে, জিএসটি যখন চালু হয়, তখন কেউ বুঝতেই পারেনি। ধীরে ধীরে ব্যবস্থাটা সহজ হয়েছে। সবাই বুঝতে পেরেছে। সকলে লাভ পাচ্ছেন। আর এমনটাই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফ্যানের সঙ্গে হবে বলে জানালেন তিনি।
আরও পড়ুন:ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, সঙ্গে তুমুল বৃষ্টি, রয়েছে বজ্রপাতের পূর্বাভাসও
বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে বড় আপডেট দিলেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)৷ জানালেন, অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম অফলাইনে বিডি অফিস ও, ডিএম অফিস, পুরসভা, ওয়ার্ড অফিস থেকে পাওয়া যাবে। পুরসভার কর্মীরাও বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম পৌঁছে দেবেন। ফর্ম ফিলাপ করে কাছাকাছি সরকারি অফিসে জমা দেওয়া যাবে। সকলকে পূর্ণ তথ্য দিয়ে ফর্ম ফিল আপ কার পরামর্শ দেন অগ্নিমিত্রা৷ বলেন, ‘‘যা যা তথ্য চাওয়া হয়েছে সেগুলি আপনারা দিয়ে দিন কারণ গত ১৫ বছরে পুরুষরাও লক্ষীর ভান্ডার পেয়েছে। ওই প্রকল্প তো পুরুষদের জন্য ছিল না। এতদিন ইচ্ছে করেই সেগুলি দেখা হয়নি। সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকা থেকেই এই প্রকল্প চলে। আমরা চাই যার পাওয়া উচিত তিনি প্রকল্পের সুবিধা পান। এটাই আমরা চাই।’’






