ওয়েব ডেস্ক : নেপালে ভয়াবহ হড়পাবানের ক্ষত এখনও শুকোয়নি। তার মধ্যেই ভারী বৃষ্টিতে সিকিমে (Sikkim) শুরু হয়েছে একের পর এক ভূমিধস। বুধবার সকালে পশ্চিম সিকিমের গ্যালশিং জেলার রিম্বি-ইউকসম সড়কের বিস্তীর্ণ অংশে ধস (Landslide) নামে। ফলে ওই গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিকল্প পথে যানবাহন চালানোর চেষ্টা চলছে।
ধসের (Landslide) জেরে পাহাড়ের উপর থেকে মাটি, পাথর ও জলস্রোত নেমে আসছে। রাস্তার আশপাশে বসবাসকারী পরিবারগুলিকে নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ জায়গায় সরানোর বিষয়েও ভাবনাচিন্তা চলছে। পর্যটকদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
আরও খবর : ভোটগণনায় বড় বদলের ইঙ্গিত! ইভিএমে টোটালাইজার নিয়ে কেন্দ্রের মত জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট
অন্যদিকে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি নিম্নচাপের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টি (Rain) চলছে। উত্তরবঙ্গের পার্বত্য জেলাগুলিতেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। আগামী কয়েকদিন সিকিমে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় নতুন করে একাধিক জায়গায় ধস নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
নেপালের (Nepal) সাম্প্রতিক বিপর্যয় পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। গত ২৬ আগস্ট হিমবাহ ও পাথরের বিশাল ধস থেকে ভয়াবহ হড়পা বান তৈরি হয়ে নেপালের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিপর্যয় নেমে আসে। বুধবার পর্যন্ত সেখানে ১,১২৭ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে এবং ৪,৮৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে সিকিমের হিমবাহ হ্রদগুলির উপরও নজরদারি বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে। হিমবাহ গলে জলস্তর অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে হড়পা বানের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।







