নয়াদিল্লি: দ্বৈত নাগরিকত্ব বিতর্কে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) ঘিরে নাটকীয় মোড়। এলাহাবাদ হাইকোর্টের (Allahabad High Court) নির্দেশে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিল আদালত। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে আইনি মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
শুক্রবার বিচারপতি সুভাষ বিদ্যার্থীর বেঞ্চ রাহুল গান্ধীর নাগরিকত্ব সংক্রান্ত অভিযোগে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল। সেই অনুযায়ী এফআইআর দায়েরের কথাও বলা হয়। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই আদালত নিজের আগের নির্দেশ স্থগিত করে দেয়। আইনজীবীদের একাংশের মতে, এত দ্রুত নিজস্ব নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেওয়া বিরল ঘটনা।
আরও পড়ুন: ‘মণিপুর জ্বলছে, মোদি নীরব কেন?’ অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে কেন্দ্রকে কংগ্রেসের তীব্র আক্রমণ
এই মামলার সূত্রপাত লখনউয়ের বিশেষ এমপি-এমএলএ আদালত থেকে। বিজেপি নেতা ভিগ্নেশ শিশির অভিযোগ করেন, রাহুল গান্ধী কেবল ভারতের নাগরিক নন, তাঁর ব্রিটিশ নাগরিকত্বেরও প্রমাণ রয়েছে। তিনি দাবি করেন, ব্রিটেন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে কিছু তথ্যও পেয়েছেন। যদিও গোপনীয়তার কারণে সব তথ্য দেওয়া হয়নি। এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানান তিনি।
তবে বিশেষ আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। জানায়, নাগরিকত্ব নির্ধারণের এখতিয়ার তাদের নেই এবং এই মামলা আইনি প্রক্রিয়ার অপব্যবহার। এরপরই হাই কোর্টে যান আবেদনকারী।
উল্লেখ্য, রাহুল গান্ধীর নাগরিকত্ব নিয়ে অতীতেও একাধিকবার বিতর্ক উঠেছে। বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামীও দিল্লি হাই কোর্টে একই অভিযোগে মামলা করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, ব্রিটিশ সংস্থার নথিতে রাহুল নিজেকে ব্রিটেনের নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে এই ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কখনও স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া হয়নি। আপাতত হাই কোর্টের স্থগিতাদেশে স্বস্তিতে রাহুল শিবির।







