Monday, June 8, 2026
HomeScrollএরা আমাকে প্রাণে মারতে চায়...আর কী বললেন অভিষেক?
Abhishek Banerjee

এরা আমাকে প্রাণে মারতে চায়…আর কী বললেন অভিষেক?

পুলিশ নেই, সব ঘটনার ভিডিও রেকর্ড রইল, হাইকোর্ট-রাজ্যপালের দৃষ্টি আকর্ষণ অভি ষেকের

কলকাতা: শনিবার বিকেলে সোনারপুরের (Sonarpur) কামরাবাঁধ যাওয়ার পরে প্রথমে কামালগাজির কাছে বাধার মুখে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Sonarpur Abhishek Banerjee)। তাঁকে মহিলারা কালো পতাকা দেখান। সেসব পেরিয়ে সোনারপুর ঢুকতেই জনরোষে রণক্ষেত্রের আকার নেয়। প্রথমে ‘চোর’ স্লোগান ওঠে। এরপর তাঁকে লক্ষ্য করে একের পর এক ডিম ছোড়া হতে থাকে। শুধু ডিম নয়, জুতোও ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। সেইসঙ্গে চলতে থাকে অশ্রাব্য গালিগালাজ। অভিযোগ, জামাও ছিঁড়ে দেওয়া হয় অভিষেকের। প্রবল জনবিক্ষোভের মধ্যেই দলীয় কর্মীর বাড়ির দিকে এগোতে থাকেন তিনি। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হল শনিবার বিকেলে। বিক্ষোভে মুখে পরে অভিষেক বলেন, আজকের বর্বরতা মধ্যযুগের বর্বরতাকেও হার মানাবে।

সোনারপুরে ঢোকার আগে থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে শুরু করেছিল। পাটুলির কাছে ঢালাই ব্রিজ থেকে শুরু করে সোনারপুরের কামরাবাদ— সর্বত্রই কালো পতাকা হাতে রাস্তায় জড়ো হয়েছিলেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা।পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, শেষ পর্যন্ত নিজের মাথা বাঁচাতে মাথায় ক্রিকেট হেলমেট পরে হেঁটে নিহত কর্মীর বাড়িতে পৌঁছতে হয় ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে।এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্যের বিজেপি সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছেন অভিষেক। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলে অভিষেক দাবি করেন, তাঁর এই কর্মসূচির কথা আগেভাগেই জেলা পুলিশ ও প্রশাসনকে জানানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও ঘটনাস্থলে কোনও পুলিশের দেখা মেলেনি। কার্যত তাঁকে ইচ্ছাকৃত ভাবে এই হিংসাত্মক বিক্ষোভের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। এই পরিস্থিতিতে হামলাকারীরা বাড়ির দরজা ভাঙার চেষ্টা করছে দাবি করে তিনি কলকাতা হাইকোর্ট এবং রাজ্যপালের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছেন বলেও জানান।

আরও পড়ুন: অভিষেককে লক্ষ্য করে ডিম-জুতো, সোনারপুরে তুলকালাম কাণ্ড

এদিন নিহত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে যখন কথা বলছিলেন অভিষেক, তখন বাড়ির বাইরে উন্মত্ত জনতা অপেক্ষায় রয়েছেন, কখন বাইরে বেরোবেন। কাজেই আবারও তাঁর উপর হামলার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। সেই আশঙ্কা থেকেই সোনারপুরের আইসিকে ফোন করলেন অভিষেকের অসহায় নিরাপত্তারক্ষী। সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মী সঞ্জু কর্মকারের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর সেই বাড়িতে বসেই অভিষেক জানান, ‘‘এই হল ডবল ইঞ্জিনের নমুূনা। সবাই চেয়েছিল, ডবল ইঞ্জিন হোক। ওরা চায়, আমাদের মেরে ফেলতে। মারুক। আমার মৃতদেহ এখান থেকে বেরবে। আমার মাথাটা বেঁচে গেল শুধু হেলমেট ছিল বলে। পুলিশ কোথাও নেই। সব ঘটনার ভিডিও রেকর্ড রইল। পুলিশকে খবর দেওয়া হোক। আমি এখান থেকে বেরিয়ে যেতেই পারি।কিন্তু এই পরিবারের উপর হামলা হবে তারপর। আমি এখন এঁদের ছেড়ে যেতে পারব না। বাহিনী পাঠিয়ে আগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।”বিক্ষোভকারীদের ‘চোর’ স্লোগানের পাল্টা জবাব দিয়ে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে নজিরবিহীন আক্রমণ করেন অভিষেক। তিনি বলেন, “যারা তৃণমূলকে চোর বলছে, তারা কি কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে হাত বাড়িয়ে ক্যামেরার সামনে টাকা নিতে দেখেছে? দু’কান কাটা, নির্লজ্জ।

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ slot gacor BWO99 poker idn poker situs slot gacor toto slot situs toto istanaslot istanaslot sohibslot tikus4d https://tikus4dlink.com situs slot gacor PAKDE4D AMANAHTOTO AMANAHTOTO Pakde4D slot gacor hari ini SlotPoker188