ওয়েবডেস্ক- এসআইআর (SIR) নিয়ে বাংলায় চাপানউতোরের মধ্যে খসড়া তালিকা (Draft List) প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) । এবার চলবে হিয়ারিংয়ের (Hearing) পালা। অর্থাৎ ফর্মে কোনও ধরনের অসঙ্গতি থাকলে কমিশন তা মিলিয়ে দেখে সেই ব্যক্তিকে তলব করবে। বৃহস্পতিবার থেকে সেই নোটিস পাঠানো শুরু করল কমিশন। ২৩ ডিসেম্বর থেকে শুনানি শুরু, চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ভোটারদের নির্দিষ্ট দিনে প্রামাণ্য নথি নিয়ে আসতে হবে। নোটিস দেওয়ার পর সাত দিন সময় দেওয়া হবে।
১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ। প্রামাণ্য হিসেবে ১০টি নথির কথা জানিয়েছে কমিশন। শুনানির দিন যদি কোনও ভোটার উপস্থিত না থাকে, তাহলে বিশ্বাসযোগ্য কারণ দেখাতে পারলে দেওয়া হবে অতিরিক্ত দিন। যাদের বয়স ৮৫ পার করেছে, তাদের শুনানি হবে বাড়িতেই।
কাদের নোটিস-
কমিশন আগেই জানিয়েছিল ম্যাপিং-এর ক্ষেত্রে ২০০২ সাল গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ২০০২ সালেই শেষ বার এসআইআর, তারপর ২০২৫ এ হচ্ছে সেই প্রক্রিয়া। তাই ২০০২ সালে ভোটারের তালিকা মিলিয়ে দেখা হবে।
প্রথম পর্যায়ে যাদের ২০০২-এর তালিকায় যাঁদের বাবা-মা বা ঠাকুরদা-ঠাকুরমার নাম পাওয়া যায়নি (আনম্যাপড), তাদেরই এই নোটিস দেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের ভোটারের সংখ্যা ৩১ লক্ষ বলে জানা গেছে।
রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়ে ছিলেন, তালিকায় নাম থাকা যে ভোটারদের জমা দেওয়া তথ্য বা নথি নিয়ে সংশয় রয়েছে, তাদের শুনানিতে ডাকা হবে। কবে কোথায় হাজিরা দিতে হবে, তা জানিয়ে বাড়িতে নোটিস নিয়ে আসবেন সংশ্লিষ্ট বুথের বিএলওরা।
আরও পড়ুন- দার্জিলিং পাহাড়ের সমস্ত স্কুল আগামীকাল থেকে বন্ধ!
কমিশনের হিসাব অনুযায়ী রাজ্যে এই ধরনের ‘আনম্যাপড’ ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৩০.৫৯ লক্ষ। এর পর ডাক পেতে চলেছেন ১.৩৬ কোটি ভোটার, যাদের ক্ষেত্রে নিজের বয়স, বাবার নাম না মেলা, বাবা-মার সঙ্গে অথবা ঠাকুরদা-ঠাকুমার সঙ্গে বয়সের পার্থক্য, লিঙ্গ না মেলার মতো অসঙ্গতি রয়েছে। যারা বাবা, মা, ঠাকুরদা ও ঠাকুরমার বদলে মামা বা মাসির মতো মাতৃকূলের কাউকে দিয়ে নিজেকে ম্যাপিং করিয়েছেন, তাঁরাও এই তালিকায় আছেন। তবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন থেকে শুনানি কী ভাবে করা হবে, তা নিয়ে দিল্লি থেকে স্পষ্ট কোনও নির্দেশ আসেনি, ফলে শুনানি শুরু হতে আগামী সপ্তাহের বুধ বা বৃহস্পতিবার হয়ে যাবে মনে করছেন কমিশনের আধিকারিকেরা।
দেখুন আরও খবর-







