ওয়েব ডেস্ক : পড়ুয়াকে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কাঁকসার (Kanksa) একটি বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল। অভিযোগ, স্কুলের এক শিক্ষক এক পড়ুয়ার গায়ে হাত তোলেন। ঘটনার কারণ জানতে স্কুলের প্রিন্সিপালের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন ওই পড়ুয়ার অভিভাবক। অভিযোগ, তখন স্কুল চত্বরের মধ্যেই তাঁকে মারধর করা হয়। এরপরই পরিস্থিতি দ্রুত অশান্ত হয়ে ওঠে।
অভিভাবককে মারধরের খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্কুলের (School) সামনে জড়ো হতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দা এবং অন্যান্য অভিভাবকদের একাংশ। অভিযোগ, একসময় বিক্ষোভকারীদের একটি দল স্কুল চত্বরে ঢুকে পড়ে। সেখানে বিক্ষোভের পাশাপাশি ভাঙচুরও চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে খবর দেওয়া হয় কাঁকসা থানায়।
খবর পেয়ে কাঁকসা থানার আইসি এবং এসিপির নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বিক্ষোভকারীদের সরাতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ। ঘটনায় পুরুষ ও মহিলা মিলিয়ে একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। একইসঙ্গে স্কুলে বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।
ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা থাকায় স্কুল চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে পুলিশ। অন্যদিকে, পড়ুয়াকে মারধরের অভিযোগ এবং অভিভাবককে পাল্টা মারধরের অভিযোগ—দুই বিষয়ই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্কুলে ভাঙচুরের অভিযোগও তদন্তের আওতায় রয়েছে। গোটা ঘটনা নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলেও প্রিন্সিপাল কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি।







