Saturday, February 7, 2026
HomeBig newsমতুয়া Vs মতুয়া, শান্তনু ঠাকুরের বাড়ি ঘেরাও, তুমুল মারামারি, তুলকালাম কাণ্ড
Matua Vs Matua

মতুয়া Vs মতুয়া, শান্তনু ঠাকুরের বাড়ি ঘেরাও, তুমুল মারামারি, তুলকালাম কাণ্ড

শান্তনু ঠাকুরের বক্তব্যেই ঘৃতাহুতি, তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা মতুয়াদের মধ্যে

উত্তর ২৪ পরগনা (ঠাকুরনগর) – ঠাকুরনগর (Thakur Nagar) ঠাকুরবাড়িতে (Thakur Bari) মতুয়াদের (Matua) প্রতিবাদ সভা। এসআইআর (SIR) ইস্যুতে উত্তপ্ত মতুয়াদের ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে। শান্তনু ঠাকুরের (Shantanu Thakur) বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখাতে গেলে শান্তনু ঠাকুরের মতুয়া সংগঠনের সঙ্গে মমতা বালা ঠাকুরের মতুয়া সংগঠনের হাতাহাতি। দুই পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে চলছে প্রতিবাদ সভা। রাজ্যসভার সংসদ মমতা বালা ঠাকুরের (Mamta Bala Thakur) অল ইন্ডিয়া মতো মহাসংঘ এই প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেছে।

গত ২ দিন  আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর বনগাঁর গাড়াপোতা এলাকায় বিজেপির একটি প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, এসআইআর হওয়ার ফলে ৫০ লক্ষ রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারী মুসলিম বাদ চলে যাবে। সেখানে যদি আমাদের সমাজের এক লক্ষ ভোটার বাদ যায় সেখানে সমস্যা কোথায়,  এই কথা বলায় মতুয়া সমাজের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে তারই প্রতিবাদে আজ ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে নাট মন্দিরে এই প্রতিবাদ সভা চলছে। পাশাপাশি শান্তনু ঠাকুর বলেছেন আমি মতুয়াদের নাম বাদ যাবে একথা বলিনি। আমি বলেছি আমাদের সমাজের অনেকের নাম বাদ যাবে। তাছাড়া মমতা বালা ঠাকুর যেটা করছেন টিকিট পাওয়ার জন্য করছেন।

আরও পড়ুন-  ১ লক্ষ মতুয়া ভোট বাদ গেলে কী এসে যায়? বিস্ফোরক মন্তব্য শান্তনু ঠাকুরের

প্রসঙ্গত, কমিশনের বাংলায় এসআইআর ঘোষণার পর থেকে নাগরিকত্ব হারানোর ভয়ে ভুগছে মতুয়ারা। এসআইআর-এর প্রতিবাদে সম্প্রতি অনশনেও বসেন তারা। ছিলেন মমতাবালা ঠাকুরও। সেই সময় তিনি কমিশন ও বিজেপির দিকে তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, মতুয়াদের ভোটাধিকার থেকে নাম বাদ দেওয়ার জন্যই কমিশন ও বিজেপির যোগসাজশে এই এসআইআর।

এর পর সম্প্রতি নদিয়ার তাহেরপুরে সভা করতে আসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু আবহাওয়া খারাপ থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী কপ্টার নামতে পারেনি। ফলে কলকাতায় ফিরে গিয়ে ভার্চুয়ালি সভা করেন মোদি।  তাহেরপুর মতুয়া গড় বলেই পরিচিত। মতুয়াদের আশা ছিল, প্রধানমন্ত্রী তাদের জন্য কোনও আশার বাণী দেবেন, কিন্তু কার্যত নিরাশ হন তারা। কারণ ভাষণে মতুয়াদের জন্য কোনও বার্তা দেননি প্রধানমন্ত্রী। ফলে হতাশার মধ্যে নাগরিকত্ব হারানো ভয় মতুয়াদের ঘাড়ে চেপে বসে। এই সবে মধ্যে ঘৃতাহুতি দেয় শান্তনু ঠাকুর বক্তব্য। শান্তনু বলে বসেন, ৫০ লক্ষ রোহিঙ্গা , বাংলাদেশি মুসলমান,  পাকিস্তানি মুসলমানকে বাদ দিতে গিয়ে যদি আমার সম্প্রদায়ের( Matua Vote)  এক লক্ষ মানুষকে ভোটদান থেকে বিরত থাকতে হয় তাতে কি আসে যায়।  এর পরেই তোলপাড় শুরু হয় রাজ্যরাজনীতিতে।

দেখুন আরও খবর-

Read More

Latest News