ওয়েবডেস্ক- সল্টলেকের (Salt Lake) দত্তাবাদে (Duttabad) স্বর্ণব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা (Swapan Kamilya) অপহরণ ও খুনের মামলায় রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণকে (Rajganj BDO Prashant Barman) আত্মসমর্পণ করতে বলল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। আগামী শুক্রবারের মধ্যে নিম্ন আদালতে (lower court) আত্মসমর্পণ করতে হবে।
সোমবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি রাজেশ বিন্দল এবং বিচারপতি বিজয় বিষ্ণইয়ের বেঞ্চ, অভিযুক্তকে আত্মসমর্পণ করতে হবে। আগামী ২৩ জানুয়ারির মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। আত্মসমর্পণ করার পরে ওই বিডিও জামিনের আবেদন করতে পারবেন। তদন্তের প্রয়োজনে পুলিশ জামিনের বিরোধিতা করে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন নিম্ন আদালতে জানাতে পারবেন।
প্রসঙ্গত, গত ২২ ডিসেম্বর কলকাতা হাই কোর্ট আগাম জামিন খারিজ করেছে। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ২৯ অক্টোবর নিউটাউনের যাত্রাগাছি থেকে স্বর্ণব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যার দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগের তদন্তে নামে পুলিশ। পাঁচজনকে গ্রেফতার করলেও ‘মূল অভিযুক্ত’ হিসেবে নাম উঠে আসে বিডিও প্রশান্ত বর্মনের। গ্রেফতারি এড়াতে তিনি বারাসত থেকে জামিন পান, কিন্তু বিধাননগর পুলিশ সেই নির্দেশের বিরোধিতা করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। হাইকোর্টে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বারাসত আদালতের আগাম জামিনের নির্দেশ খারিজ করে দিয়ে প্রশ্ন তোলেন এই গুরুতর মামলায় কেন জামিন দেওয়া হল? আদালত সেই সময় বিডিও-কে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিল।
আরও পড়ুন- দিল্লির পর এবার লেহ-লাদাখে ভয়াবহ ভূমিকম্প!
কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও প্রশান্ত বর্মন আত্মসমর্পণ না করে হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যান। এদিন সুপ্রিম কোর্টও তাঁকে কোনো রেহাই দেয়নি। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আগামী শুক্রবারের মধ্যে তাঁকে আইনি প্রক্রিয়া মেনে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে। আত্মসমর্পণের পর তিনি নিয়মিত জামিনের আবেদন করতে পারবেন। আদালত সেখানে জানিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে পুলিশ নিম্ন আদালতে জামিনের বিরোধিতা করতে পারবে এবং বিডিও-কে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারবে।







