ওয়েবডেস্ক- চলতি বছরেই বিধানসভা নির্বাচন (2026 Assemble Election) । বাংলার উন্নয়ন কীভাবে করা যায়, তাই নিয়ে ইস্তেহার (Manifesto) তৈরি করে ফেললেন স্বয়ং রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) । সেই ইস্তেহার নিয়ে তিনি পৌঁছে গেলে রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মুর (President Droupadi Murmu) দরবারে। সেই রিপোর্ট রাষ্ট্রপতির কাছে জমাও দিয়েছেন রাজ্যপাল। তবে এই ইস্তেহারকে কোনও ভাবে রাজনৈতিক রং লাগাতে নারাজ তিনি। রাজ্যপালের কথায় , এটি কোনও রাজনৈতিক দলের ইস্তেহার নয়। তবে পরবর্তীতে এই ইস্তেহার সব রাজনৈতিক দল, রাজ্য ও কেন্দ্রের কাছেও দেওয়া হতে পারে, এমনটাই জানিয়েছেন রাজ্যপাল।
নির্বাচনের আগে আগামীদিনে কর্মসূচি নিয়ে ইস্তেহার প্রকাশ করে সব রাজনৈতিক দলগুলি। তাহলে রাজ্যপালের এই ইস্তেহার প্রকাশের কারণ কি?
আরও পড়ুন- সাইবার অপরাধ নিয়ে কড়া বার্তা! যোগীর নেতৃত্বে গড়ে উঠল বিশেষ ‘সাইবার কমান্ডো’ বাহিনী
রাজ্যপাল আনন্দ বোস জানিয়েছেন, এর সঙ্গে কোনও রাজনীতির সম্পর্ক নেই। সাংবিধানিক দায়িত্বে থেকে গত কয়েক বছরে আমি যা যা দেখেছি, যেটা বুঝেছি, সেটাই রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দিয়েছে। এটাকে একটা পরিকল্পনা বলা যেতে পারে। যেখানে কৃষি থেকে শিল্প, শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্যে কোথায়, কীভাবে, কি ভাবে কাজ করলে বাংলার আরও উন্নয়ন হবে সেটাই লেখা আছে। রাজ্যপালের এই ইস্তেহারের শীর্ষক শান্তি-শুদ্ধি ও সমৃদ্ধি।
‘রোডম্যাপ ফর এ নিউ বেঙ্গল’। বাংলার নতুন রূপরেখা। এই ইস্তেহারের প্রচ্ছদে রয়েছে দুর্গাঠাকুর, হাওড়া ব্রিজ, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, হলুদ ট্যাক্সি, গ্রামবাংলা ছবি। সেখানে দেখা যাচ্ছে সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও অন্যজন জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়।
জানা গেছে, রাষ্ট্রপতির কাছে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস মূলত তিনটি জিনিস জানিয়ে এসেছেন। প্রথমটি হল এই ইস্তেহার ও দ্বিতীয়টি রাষ্ট্রপতির জীবনী নিয়ে বই লেখার ইচ্ছে প্রকাশ। তৃতীয় বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা যাবে না বললেও ভিতরের খবর, রাজ্যের দুর্নীতি ও অপশাসন সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির কাছে নালিশ করেছেন সিভি আনন্দ বোস।







