ওয়েবডেস্ক- ফের এসআইআর (SIR) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) কাজে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) । কমিশনকে ফের চিঠি দিলেন তিনি। কোনও রকম প্রশিক্ষণ ছাড়া মাইক্রো পর্যবেক্ষক (Micro observer) নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী।
নজিরবিহীন ভাবে রাজ্যে মাইক্রো পর্যবেক্ষক নিয়োগদেশের নির্বাচনের ইতিহাসে এই পদক্ষেপ প্রথম। রাজ্যে ৮ হাজার ১০০ মাইক্রো পর্যবেক্ষক নিয়োগ। কমিশনের নির্দেশে এসআইআর কাজে নিয়োগ। কোনও রকম প্রশিক্ষণ ছাড়া কী ভাবে এই কাজে নিয়োগ? এসআইআর-এর মতো স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ কাজে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখে প্রশ্ন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
একই সঙ্গে জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে মাইক্রো পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে পর্যবেক্ষকরা অনুমোদিত নয়। জ্ঞানেশ কুমারকে (Chief Election Commissioner Gyanesh Kumar) চিঠি লিখে প্রশ্ন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ত্রিপুরার চার জন আধিকারিকের বিরুদ্ধে মমতার অভিযোগ। একই সঙ্গে আরও ৫ আধিকারিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ। আধিকারিকেরা পোর্টালে তথ্য গরমিল করছেন, চিঠি লিখে কমিশনের কাছে অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর।
আরও পড়ুন- লোক হাসানো কথা বলছেন অমিত শাহ! আক্রমণ অভিষেকের
সাংবিধানিক পরিকাঠামো রক্ষায় কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি, নির্বাচন কমিশনারের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি মুখ্যমন্ত্রীর।
জ্ঞানেশ কুমারকে লেখা সেই চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগে আইনের একাধিক নিয়ম কানুন তুলে ধরেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর লেখা চিঠিতে উঠে এসেছে ১৯৫০ সালে রিপ্রেজেন্টেশন অফ দ্য পিপলস অ্যাক্ট এবং ১৯৬০ সালে রেজিস্ট্রেশন অফ ইলেকটরস আইনের কথা। সেই আইন অনুযায়ী, এসআইআর-এ ভোটারদের তথ্য যাচাই করার কাজে আছে ERO, AERO. কিন্তু তাঁদের কাজে ‘নজরদারি’র জন্য মাইক্রো অবজার্ভারদের নিয়োগ কমিশনের কোন আইনের আওতায় পড়ছে, এই নিয়ে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী।
কমিশনের এই কাজে যারপরনাই ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর মতে, কমিশন নানা সময়ে এই ধরনের নিয়মের জন্যই সাধারণ মানুষকে এত হয়রানির মুখোমুখি হতে হচ্ছে, যা এখনই বন্ধ করা দরকার।







