ওয়েব ডেস্ক: ‘রবীন্দ্রসঙ্গীত’ হল ‘রবিশঙ্কর’! দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ভাষণে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (Rabindranath Tagore) নাম ভুল উচ্চারণ করলেন। তাও আবার বোলপুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) আগে রাজ্যে একের পর এক মেগা সভা করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi), অমিত শাহ (Amit Shah), যোগী আদিত্যনাথ থেকে বিজেপির হেভিওয়েটরা। সভায় থেকে মোদি অমিত শাহরা বাঙালি অস্মিতায় বার বার শান দিয়ে দাবি করেছেন এবার ক্ষমতায় এসে বিজেপি সোনার বাংলা গড়বে। রামের জায়গায় বার বার তাঁদের মুখে শোনা গিয়েছে মা কালি, দূর্গা থেকে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম। সোমবার বোলপুরে নির্বাচনী প্রচারের ভাষণে ‘রবীন্দ্রসঙ্গীত’ বলতে গিয়ে হোঁচট খেলেন অমিত শাহ। প্রচারের ভাষণে ভুল বাংলা বলায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে বিঁধল তৃণমূল কংগ্রেস।
শুক্রবার বিজেপির সংকল্প পত্র প্রকাশ কর্মসূচি চলাকালীন রানি রাসমণিকে ‘রানি রাসমতী’ উচ্চারণ করে ফেলেন অমিত শাহ। এবার রবীন্দ্রসঙ্গীত বলতে গিয়ে হোঁচট খেলেন তিনি। সোমবার বোলপুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে ‘রবীন্দ্রসঙ্গীত’ বলতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে ‘রবিশঙ্কর’ বলে বসলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রবীন্দ্রসঙ্গীতকে গোটা ভারতে সুপ্রসিদ্ধ করার জন্য সোমবার বোলপুরের সভা থেকে গায়িকা সাহানা বাজপেয়ীকে ধন্যবাদ জানান অমিত শাহ (Amit Shah)। সেই সময়ই ‘রবীন্দ্রসঙ্গীত’ বলতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে ‘রবিশঙ্কর’ বলে বসেন তিনি। এই নিয়ে ফের বিতর্কের ঝড় উঠেছে।
আরও পড়ুন: নির্বাচন সংক্রান্ত প্রস্তুতি, আইনশৃঙ্খলা খতিয়ে দেখতে রাজ্যে নির্বাচন কমিশনের দু’টি দল
এক্স হ্যান্ডলে অমিত শাহের উচ্চারণ-বিভ্রাটের ভিডিওটি পোস্ট করে তৃণমূল দাবি করেছেন, পণ্ডিত রবিশঙ্কর একজন সেতার বাদক এবং ভারতের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ প্রবক্তা। অন্যদিকে, রবীন্দ্রসঙ্গীত হল বাংলার সংস্কৃতির পরিচয়, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ও রচনা করা গানের সংকলন। অমিত শাহ বাংলার মানুষের মন জয় করার চেষ্টা করতে গিয়ে এই দু’টিকে গুলিয়ে ফেলেছেন। এই মানুষ গুলো সোনার বাংলা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। এক্স হ্যান্ডলে তারা লিখেছে, “বাংলার সংস্কৃতি আপনাদের প্রচারের অঙ্গ নয়। বাংলা এই অপমানকে কখনও ক্ষমা করবে না।







