ওয়েবডেস্ক- কেন্দ্রের উদ্দেশ্য সফল হয়নি। মহিলা সংরক্ষণ বিলকে (Women’s Reservation Bill ) সামনে রেখে ‘ডিলিমিটেশন’ পাশের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে প্রবল বিক্ষোভ দেখায় কংগ্রেস, তৃণমূল সহ বিরোধীরা। বিরোধীদের জোটের সামনে সম্পূর্ণ ভেসে যায় লোকসভা আসন পুনবির্ন্যাসের জন্য মোদি সরকারের উদ্যোগ।
বিরোধী শিবিরের এই জয়ের অন্যতম কারিগর সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi) শনিবার রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গের সংসদীয় কক্ষে আয়োজিত বৈঠকে ঢুকে উপস্থিত নেতাদের চান ‘আব সব মওন কিঁউ হ্যায়?’ এরপরেই অবশ্য শুরু হয়ে যায় সেলিব্রেশন। মূলত সোনিয়ার উৎসাহে বৈঠকে উপস্থিত অন্যরা ‘লেটস সেলিব্রেট’ বলে ওঠেন৷ তখনি আনা হয় মিষ্টি, চা, কফি, কুকিস৷
আরও পড়ুন- বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হচ্ছেন দীনেশ ত্রিবেদী! সুপারিশ মোদির
কংগ্রেস সূত্রে খবর, গত কয়েকদিন ধরেই বিরোধী জোটের রণকৌশল তৈরি করেছেন দলের সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী নিজেই৷ শুক্রবার রাতে লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিলটি পাশ হতে পারেনি।
বাংলায় বিধানসভা ভোটের আবহে যেভাবে ২১ জন সাংসদকে দিল্লিতে লোকসভার ভোটাভুটিতে পাঠিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো, তার জন্য রাতেই ব্যক্তিগতভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়ে ফোন করেন সোনিয়া গান্ধী। শুক্রবার লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও ফোন করে ধন্যবাদ জানান তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে৷ সপা সুপ্রিমো অখিলেশ যাদবও মমতাকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানান।
উল্লেখ্য, আশির কোঠায় পা দিতে চলা সোনিয়া গান্ধী দিন কয়েক আগেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। রাজনৈতিক কাজ কর্মে খুব একটা সক্রিয়ভাবে থাকবে না। এত সমস্যার পরেও ডিলিমিটেশন বিলকে প্রতিহত করার জন্য যেভাবে প্রথম থেকেই সক্রিয় সোনিয়া গান্ধী। কোনও আলোচনা ছাড়াই ডিলিমিটেশনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রের ভাবনার তীব্র বিরোধিতা করেছেন তিনি। এখানেই না থেমে সংসদীয় রণকৌশল তৈরির কাজ করে গেছেন। বিরোধী জোট ঐক্যবদ্ধ থাকলে সরকার কোনওভাবেই লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পাস করতে পারবে না, সোনিয়ার এই বাক্যকে মান্যতা দিয়েই দূরত্ব সরিয়ে বিরোধীরা একজোট হন। সব বিরোধী দলকে একজোট করার কাজ শুরু করেছিলেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে৷ এর ফলে বিল আটকে যায়। ২৯৮টি ভোট পেয়ে থামতে হয় সরকারকে৷ বিরোধীরা পায় ২৩০টি ভোট৷







