কলকাতা: রাজ্যের আয়ুষ (Ayush Department) ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari)। আয়ুষকে স্বাস্থ্যদফতরের থেকে আলাদা করা হবে বলে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, কেন্দ্র আয়ুষ নিয়ে একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অনেক কাজের জায়গা রয়েছে। তা মানুষের স্বার্থে লাগানো হবে।
মঙ্গলবার কল্যাণীতে সমস্ত সরকারি আধিকারিকদের নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় দু’ঘন্টারও বেশি সময় ধরে চলে এই বৈঠক। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, মূলত তিনটি বিষয়ের উপর জোর দেওয়া হয়েছে এদিনের বৈঠকে। স্বাস্থ্যক্ষেত্রকে আরও গুরুত্ব দেওয়া এবং প্রাকবর্ষার কাজে গুরুত্ব দেওয়া হয়। সেখানেই আয়ুষ নিয়ে বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, আয়ুষকে আলাদা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এজন্য মন্ত্রিসভার অনুমোদন নেওয়া হবে।আয়ুষের মাথায় বসানো হবে একজন দক্ষ আধিকারিককেও। মানুষের জন্য গোটা বাংলাতেই আয়ুষকে কাজে লাগানো হবে বলেও এদিন জানান শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি আগামী জুন মাসজুড়ে একাধিক কর্মসূচিরও ঘোষণা করেন তিনি।
আরও পড়ুন: আরও বিপাকে ‘পুষ্পা’, ফলতার জাহাঙ্গিরের রক্ষাকবচ প্রত্যাহার কলকাতা হাইকোর্টের
শুভেন্দু জানান, প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ১২ বছর সম্পূর্ণ হয়েছে নরেন্দ্র মোদির। তা মাথায় রেখেই আগামী ৫ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত একাধিক কর্মসূচির কথা ঘোষণা করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই কর্মসূচিতে যোগ দেবে। শুভেন্দুর কথায়, আগামী ৫ জুন সমস্ত পুরসভা এলাকায় মায়ের নামে একটি গাছ লাগানো হবে। এজন্য সমস্ত বিধায়কদের গাছ অরণ্য দফতর দেবে। তা এলাকার মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হবে। বলে রাখা প্রয়োজন, এর আগে ‘এক পেড় মা কে নাম’ কর্মসূচির ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরিবেশ দিবসকে মাথায় রেখে এই কর্মসূচি গত কয়েকবছর আগে নেওয়া হয়। এবার সেই কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে বাংলাতেও।কেন্দ্রের নির্দেশিকা অনুযায়ী শুভেন্দু অধিকারীর ঘোষণা, আগামী ১৫, ১৬ এবং ১৭ জুন রাজ্যে জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হবে। সমস্ত বিডিও, সিও, কমিশনাররা দায়িত্ব নিয়ে বিধায়ক, সাংসদদের উপস্থিতিতে এই জনকল্যাণ শিবির করবেন। এই শিবিরের মাধ্যমে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সমস্ত সুবিধা সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হবে।







