কলকাতা: বাংলা সিনে জগতে শোকের ছায়া। প্রয়াত পরিচালক অনীক দত্ত (Anik Dutta Passed Away)। পরিচালকের মৃত্যু ঘিরে ঘনাচ্ছে রহস্য।গড়িয়াহাটের বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে আহত অনীক। তাঁর বাড়ির নীচে চাপ চাপ রক্ত পড়ে রয়েছে। সংকটজনক অবস্থায় ঢাকুরিয়া মণিপাল হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন টলিউড পরিচালক। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় পরিচালকের।
বুধবার দুপুরে আচমকাই গড়িয়াহাটের বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন অনীক দত্ত (Anik Dutta)। তাঁর বাড়ির নীচে চাপ চাপ রক্ত পড়ে রয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে গড়িয়াহাট থানার পুলিশ। রয়েছেন অফিসার ইনচার্জ এবং অন্যরা। পৌঁছেছে হোমিসাইড শাখাও। পরিচালক ছাদ থেকে পড়ে গিয়েছেন, না কি অন্য কিছু ঘটেছে, এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনাস্থলের ছবি তুলছে পুলিশের টিম। টক দিয়ে ডিমার্কেশন করে দেওয়া হয়েছে। বিরাট পুলিশের টিম পৌঁছেছে বাড়িতে। বহুতলের সামনে একটি গাছের ডাল ভেঙে গিয়েছে। অনীক পড়ে যাওয়ার সময় গাছে ধাক্কা খান বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: কবীর সুমনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের
অনীক দত্তের ছবি মানেই চমক, কিছু নতুনত্ব তো থাকবেই। তাঁরর সিনেমা মানেই ভিন্ন ধারার স্বাদ এবং দর্শকদের জন্য একটি নতুন চমক। ২০১২ সালের ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’ ছবির মাধ্যমে টলিউডে হাতেখড়ি। এর পরে, ‘মেঘনাদবধ রহস্য’, ‘আশ্চর্য প্রদীপ’, ‘ভবিষ্যতের ভূত’, ‘বরুণবাবুর বন্ধু’ ছবিগুলির মাধ্যমে যথেষ্ট প্রশংসা পেয়েছেন অনীক দত্ত। তাঁর নির্মাণশৈলী, গল্প বলার নিজস্ব ধরন এবং বাংলা চলচ্চিত্রের চেনা গণ্ডি ভাঙার সাহস তাঁকে টালিউডের অন্যতম চর্চিত পরিচালক করে তুলেছে।পরিচালকের প্রথম ছবি ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’-এর পর থেকেই তাঁর গল্পে এক অভিনব ব্যঙ্গাত্মক ও পরিমার্জিত হাস্যরস দেখা যায়, যা দর্শকদের দারুণভাবে আকৃষ্ট করে। সত্যজিৎ বন্দনায় তাঁর মাস্টারপিস ‘অপরাজিত’-তে কিংবদন্তি সত্যজিৎ রায়ের ‘পথের পাঁচালী’ তৈরির নেপথ্য কাহিনি তুলে ধরে তিনি প্রচুর প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। কপিরাইট জটিলতার কারণে ফেলুদা নিয়ে ছবি তৈরি করতে না পারলেও, ‘যত কাণ্ড কলকাতাতেই’ ছবিতে তিনি ফেলুদার চিরচেনা সঙ্গী ‘তোপসে’-কে নিয়ে এক সম্পূর্ণ মৌলিক ও রহস্যে ঘেরা গল্প উপহার দিয়েছেন।







