কলকাতা: বিধানসভায় সই বিতর্কে জোর তরজা শুরু। বিরোধী দলনেতার (Opposition Leader) প্রস্তাবপত্রেই সই জালের অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় পরে গিয়েছে বিধানসভায়। অভিযোগ উঠেছে প্রধান বিরোধী দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আইন অনুযায়ী সই জাল অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধায়ক পদ খারিজ পর্যন্ত হতে পারে।সই বিতর্কে মুখ বন্ধ রাখলেও কুণাল ঘোষ জানান, যে পরিমাণ সদস্যের সই প্রয়োজন তার চেয়ে অনেক বেশি আমরা সমর্থন দিয়েছি। বিরোধী দলনেতার সংবিধান স্বীকৃত পদ। এর চেয়ে বেশি কোন মন্তব্য করব না।অন্নপূর্ণা ভান্ডারের চেয়ে ফর্ম এসেছে ভোটের আগে একরকম বলা হয়েছিল এখন ১২ পাতার ফর্ম বেরিয়েছে। সেই ফরম ফিলাপ করতে গিয়ে রায় ও মাটিনের সাহায্য নিতে হচ্ছে। ভোটের আগে তো বলেননি। ভোটের আগে যে ফরম ফিলাপ করা হয়েছিল সেটা কি ফর্ম? মা বোনেদের টাকার জন্য গোটা পরিবারের তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এটা কি অন্য কাজে ব্যবহার হবে।
সূত্রের খবর, তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে বিরোধী দলনেতার সমর্থনে যে স্বাক্ষরগুলি জমা দেওয়া হয়েছিল, তার মধ্যে একাধিক বিধায়কের সই ছিল। কিন্তু সেই স্বাক্ষরগুলি নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ, যেদিন ওই নথি জমা পড়েছিল, সেদিন বেশ কয়েকজন বিধায়ক বিধানসভায় উপস্থিতই ছিলেন না। ফলে স্বাক্ষরের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় বিধানসভার সচিবের তরফে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। ইতিমধ্যেই সই জালের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে সিআইডি। সই জাল প্রমাণিত হলে বিধায়কের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির অভিযোগও তোলা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:নবান্নে শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকে গুরুং, গিরি, বিস্ত! পালাবদল হতেই বদলাচ্ছে পাহাড়ের সমীকরণ?
এই প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা তথা বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (Sovandeb Chatterjee) আজ বলেন, “অন্যের সই করা অন্যায়। আমি অন্যায়কে সমর্থন করি না। তাতে আমি বিরোধী দলনেতা থাকি বা না থাকি।” তবে একইসঙ্গে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা ইস্যুতে শোভনদেবের অভিযোগ, “অতি সক্রিয়তা দেখানো হচ্ছে। ৩০ জন হলেই বিরোধী দলনেতা পাওয়া যায়।” তিনি আরও বলেন, ২১ তারিখ যোগাসনে প্রধানমন্ত্রী আসছেন? তারা আসতে পারেন যোগাসন করতে পারেন কিন্তু তাদের যোগাসনের পাশাপাশি বলতে হবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কেন এত বাড়ছে? এতদিন পর্যন্ত বাংলার বকেয়া টাকা কানে আটকে রেখেছিল তাও বলতে হবে। বাহারুল কি বলেছে তা আমি জানিনা। কিছু বলার আগে দলের সঙ্গে কথা বলা উচিত ছিল। বৈঠকে একজন সকলের সই করাচ্ছেন কার সই বাদ চলে গেছে এটা বলা খুব কঠিন। কিন্তু সই একটা রয়েছে সেটা আমি দেখেছি।
এ বিষয়ে কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) বলেন, গতকাল তারা আসবেন বলেছিলেন। আজ সকাল এগারোটা থেকে বারোটার মধ্যে আসার কথা ছিল। আমি বিকেল তিনটে পর্যন্ত অপেক্ষা করে বিধানসভা এসেছি। ওরা এলে আমি নিশ্চিত ওদের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করব।। সাংবাদিক এবং আমাদের বিরোধী দলনেতাকে এই বৃষ্টির মধ্যে বাইরে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে হচ্ছে। স্পিকার একটি চরম ও সাংবিধান দিক সার্কুলার জারি করেছেন। এই সার্কুলার কালা সার্কুলার। আমরা এর তীব্র বিরোধিতা করছি। এর জন্য যা করতে হয় আমরা তাই করব। বিধানসভায় ওয়াক আউট করলে তখন তার বিরোধিতা করার জন্য যখন আমরা বেরিয়ে আসব তখনও কি স্পিকারের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে? প্রশ্ন তোলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগামীকাল তিনি সোনারপুর এবং বেলেঘাটা যাবেন এটা নিয়ে কুনাল ঘোষের মন্তব্য দলের সাধারণ সম্পাদক যাবেন এটা নিয়ে তাদের কোন বক্তব্য নেই।







